ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কিলার রাকিবুল আটক
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৯-২০১৭
ইং
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ঝিনাইদহের এক তরুণ ইউপি চেয়ারম্যানকে খুন করতে এসে গ্রেফতার হলো রাকিবুল ইসলাম আসাদ (২৮) নামে এক পেশাদার খুনি। সে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর দত্তপাড়ার খোন্দকার ইউনিুস আলীর ছেলে। তার কিরুদ্ধে কুষ্টিয়া ও ভেড়ামারা থানায় হত্যা, চাঁদাবাজী ও মুক্তিপণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। শুক্রবার বিকালে মোবাইল ট্রাকিং করে ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বাদি হয়ে একটি মামলা করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে তার নাম পরিচয় ও অবস্থান জানতে ফোন করা হতো। খুনি চক্রটি ছিল নাছোড়বান্দা। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ঝিনাইদহ শহরে চেয়ারম্যান কবিরকে খুন করতে ভাড়ায় আসে রাকিবুল ইসলাম আসাদ। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ শহর থেকে চেয়ারম্যান কবিরের পিছু নেয় রাকিবুল ইসলাম আসাদ। বেগতিক দেখে থানার মধ্যে ঢুকে পড়েন কবির হোসেন। বিষয়টি তিনি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সেকেন্ড অফিসারকে জানালে খুনি চক্রের সন্ধানে মোবাইল ট্রাকিং শুরু করে পুলিশ। এক পর্যায়ে সেকেন্ড অফিসার এসআই আনিছুজ্জামানের নেতৃত্বে রাকিবুল ইসলাম আসাদকে পুলিশ বেশ কিছু মাদক দ্রব্যসহ তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসাদ একটি পালসার গাড়িতে বসে অপেক্ষা করছিলো।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি বর্তমান চেয়ারম্যান কবির হোসেনকে হত্যার জন্য ভাড়াটিয়া খুনিদের লেলিয়ে দেয়। এ জন্য তাদের সাথে চুক্তি হয় ৫ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত রাকিবুল ইসলাম আসাদ পুলিশের কাছে হত্যা প্রচেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়া তার মোবাইলের কল লিস্টে ভারতের বেশ কয়েকটি নাম্বারে কথা বলার রেকর্ডও রয়েছে বলে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন অভিযোগ করেন। চেয়ারম্যান কবির হোসেনের ভাষ্যমতে তার প্রতিপক্ষ বরিউল ইসলাম রবি ভারতে বসে তার হত্যার ছক কষছে। রবি নলডাঙ্গার আরেক চেয়ারম্যান রুহুল বিশ্বাস হত্যা মামলার আসামী। বিষয়টি নিয়ে নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, চেয়ারম্যান কবির হোসেনকে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগে রাকিবুল ইসলাম আসাদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কমেন্ট বক্স