নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
- আপলোড তারিখঃ
১২-০৯-২০১৭
ইং
মেহেরপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভোটে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের পক্ষপাতের অভিযোগ
মেহেরপুর অফিস: মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০১৭-এর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের পক্ষপাত মূলক আচরন ও বিশেষ গোষ্ঠীর দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করেছেন ১০ প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী সাজ্জাদুল আনাম। সংবাদ সম্মেলনে অপর ৯ প্রার্থী ওমর ফারুক খান, একেএম আনোয়ারুল হক কালু, আসলাম খান, মনিরুজ্জামান সুজন, সাফুয়ান উদ্দিন আহামেদ, সবুক্তগীন মাহামুদ পলাশ, আমিনুল ইসলাম খোকন, আনারুল ইসলাম, এমএম এনামুল আজিম রাশেদ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাজ্জাদুল আনাম বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রধান নুরুল আহমেদ তাঁর সহযোগীদের মতামতকে গুরত্ব না দিয়ে বিশেষ মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নির্বাচনী কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। এমনকি তিনি ব্যালট পেপারে একটি প্যানেলের সকলকে ক্রমান্বয়ে প্রথম থেকে সাজিয়েছেন। যেখানে ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের নামের অদ্যক্ষর অনুসারে সাজানোর নিয়ম অথবা তা না হলে লটারির মাধ্যমে সাজিয়ে ব্যালট পেপার ছাপানোর নিয়ম রয়েছে। তিনি তা না করে বিগত কমিটির সকলকে ক্রমান্বয়ে সাজিয়েছেন। সাজ্জাদুল আনাম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীতে রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন। অথচ বিশেষ মহলের সুবিধার স্বার্থে ওই দিন নির্বাচনের ভোট গ্রহনের দিন নির্ধারণ করেছেন।
তিনি দাবি করে বলেন, মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র ৮ বছর কোন নির্বাচন হয়নি। ২০১০ সালে ১০ম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অথচ খাতা কলমে ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর নির্বাচন দেখিয়ে এবার ১৪ তম নির্বাচন ঘোষনা করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে ১০ম নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীরাও অংশ নিয়েছেন। অথচ মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র গঠনতন্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, একজন প্রার্থী দুই বার নির্বাচিত হওয়ার পর আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ ধরণের অগণতান্ত্রিক ও পক্ষপাত মূলক নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে অচিরেই স্বেচ্ছাই পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি। এক প্রশ্নের জবাবে আরেক প্রার্থী একেএম আনোয়ারুল হক কালু বলেন, চেম্বার অব কমার্সকে দীর্ঘদিন ধরে কুক্ষিগত করে রাখা প্রার্থীরা বিগ্রুপের ৫ প্রার্থীকে জোর করে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করানো হয়েছে। বি গ্রুপে এসএম এনামুল আজিম রাশেদ নামের একমাত্র প্রার্থী থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাকেও জোর করে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের চেষ্টা করা হয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা অংশ নেন।
এ বিষয়ে নিবাচন কমিশনের প্রধান নুরুল আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র ক্রমিক অনুযায়ী ব্যালট পেপার সাজানো হয়েছে। কোন পক্ষপাত করা হয়নি। যারা অভিযোগ তুলেছেন তারা অমূলকভাবে অভিযোগটি করেছেন। তিনি আরও বলেন, যে নিয়মে এর আগের নির্বাচনে ব্যালট পেপার সাজানো হয়েছিল এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
কমেন্ট বক্স