সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

হাড় কাঁপানো শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত

  • আপলোড তারিখঃ ২১-১২-২০২১ ইং
হাড় কাঁপানো শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত

শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমতে পারে : আবহাওয়া কর্মকর্তা সামাদুল হক

  চুয়াডাঙ্গায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এ মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও শৈত্যপ্রবাহের কারণে কমেনি শীতের দাপট। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ এলাকার মানুষ। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ ও সকাল সোয়া ১০টায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই জেলায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এদিকে, তীব্র শীতে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো। গতকাল সোমবার ভোরে এলাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও চায়ের দোকানে শীত নিবারণের চেষ্টায় আগুন জ্বালিয়ে উত্তাপ নিতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে। অন্যদিকে, তীব্র শীতেও হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে। গত তিনদিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশুসহ প্রায় ২শ রোগী ঠান্ডাজনিত কারণে আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম। `` রিকশাচালক মাসুম বলেন, ‘আজ প্রচণ্ড শীত লাগছে। ঠান্ডার জন্য রিকশা চালানো যাচ্চে না। হাত ও পায়ের পাতা মনে হচ্ছে বরফ হয়ে যাচ্ছে। পেটের দায়ে বাড়ি থেকে বের হলেও প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাচ্ছে না।’ বেসরকারি চাকরিজীবী শারমীন রত্না বলেন, সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। আজ প্রচণ্ড শীতের কারণে রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। যেন শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এএসএম ফাতেহ আকরাম বলেন, এখন পর্যন্ত হাসপাতালে রোগীর চাপ কম রয়েছে। প্রতিদিন ৫০-৬০ শিশু ও বয়স্করাসহ রোগীরা ঠান্ডাজনিত রোগে আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল সোয়া ১০টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই জেলায় এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ (গতকাল) থেকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। থাকবে ২-৩ দিন। এ তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানান তিনি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী