মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

রাজনীতি ও সাংবাদিকতার নীতি থাকা দরকার

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০৬-২০১৭ ইং
রাজনীতি ও সাংবাদিকতার নীতি থাকা দরকার
`Sheikh_Hasina20170604214008` সমীকরণ ডেস্ক: রাজনীতির যেমন নীতি থাকতে হবে, তেমনি সাংবাদিকতারও নীতি থাকা দরকার। নীতিহীন রাজনীতি দেশ ও জনকল্যাণ করতে পারে না, ঠিক তেমনি নীতিহীন সাংবাদিকতাও সমাজের জন্য কিছু করতে পারে না। বরং দেশ ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত ইফতার পার্টিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলতেন, রাজনীতি করলে নীতির সঙ্গে করতে হবে, সাংবাদিকতায়ও নীতি থাকতে হবে। নীতিহীন সাংবাদিকতায় দেশ-সমাজ কলুষিত হয়, তাতে দেশ ও জাতির ক্ষতি। হলুদ সাংবাদিকতা গ্রহণযোগ্য নয়। জাতির পিতা সাংবাদিকতা দিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন। আমি সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য। সেই হিসেবে আপনাদের কাছে আমার আসা। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, দোয়া করবেন দেশ ও জাতির জন্য, বলেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য সরকার দায়ী নয় মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, সংবাদ পত্রে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য সরকারের কোনো দোষ নাই, দোষ মালিকদের। মালিকরা প্রতিনিধি দিলে আমরা ওয়েজবোর্ডের কাজ শুরু করে দিতে পারি। মালিকরা সদস্য দেবেন, সুপারিশ করবেন। আমি চাই প্রত্যেক সংবাদপত্রে ওয়েজবোর্ড থাকুক। কিন্তু কিছু পত্রিকা ছাড়া বাকিরা মানে না। প্রত্যেক সংবাদপত্রে ওয়েজবোর্ড থাকা দরকার। মালিকরা ওয়েজবোর্ড মেনে চলবেন। একইভাবে ইলেকট্রনিক মিডিয়াও নীতিমালা মেনে ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসা উচিত বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের আগে প্রাইভেট টিভি চ্যানেল ছিল না। ক্ষমতায় আসার পর আমরাই প্রথম ইলেকট্রনিক মিডিয়া উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। চালু করেছি এফএম রেডিও। আমাদের আমলেই অনলাইন মিডিয়াসহ গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে। সাংবাদিকদের সম্মান দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে মামলা হলে তাৎক্ষণিক সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হতো। আইন সংশোধন করে সেটা এখন বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন গ্রেপ্তারের আগে সমন জারি হয়, সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় না। এই ব্যবস্থা সাংবাদিকদের সম্মানের দিকে তাকিয়ে করা হয়েছে। সাংবাদিকদের জন্য আবাসন সুবিধার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের আবাসন সমস্যা সমাধানে উত্তরায় প্লট ও ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি দিয়ে তারা প্লট নিতে পারবেন। সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোটা রাখার জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এই প্রথম তথ্য অধিকার আইন ও তথ্য অধিকার কমিশন গঠন করেছে। সংবাদপত্রকে সেবা শিল্পখাত হিসেবে করে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের কল্যাণে ট্রাস্ট করেছে। সেখান থেকে দুস্থ ও অসহায় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। জাতির পিতার কর্মের স্মৃতি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জাতির পিতা সব ক্ষেত্রে সব ধরনের আইন-কানুন ও নীতি প্রণয়ন করে গেছেন। প্রস্তাবিত বাজেটকে বড় বাজেট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটে কোনো সমস্যা থাকলে সংসদে আলোচনা করে তার সমাধান করা হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী