এম এ মামুন: চুয়াডাঙ্গাবাসী একটানা মেরাথন লোডশেডিংয়ের যন্ত্রনা ভুলতে না ভুলতেই আবারো বিদ্যুতের ভেল্কিবাজীতে জনজীবন ত্রাহী, ত্রাহী অবস্থা শুরু হয়েছে। একটু স্বস্তি পেতে হাত পাখায় এখন একমাত্র ভরসা। সেই সাথে ঠান্ডা জলের পরশ, এছাড়া প্রকৃতির কাছে প্রত্যাশা একটু শিতল বাতাস। কিন্তু অসহনীয় গরমে কোনোটিই মিলছে না । মানুষ এ যন্ত্রনায় বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের করছে তিরস্কার। বিদ্যুতের এই ভেল্কিবাজীতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অবর্ননীয় কষ্ট ভোগ করতে দেখা যায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রোগীদের। মানুষ যেমন বাড়ীতে প্রচন্ড গরমে স্বস্তি পেতে ঘর আর বাহির করছে। অপরদিকে হাসপাতালের বেডে শুয়ে রোগীরা গরমে মৃত্যুর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাথা ব্যাথা নেই বলে অভিযোগ করে সাধারণ জনতা ও হাসপাতালের রোগীদের। এই বিদ্যুতের লোডশেডিং এর ফলে শিশু বৃদ্ধরা সব থেকে বেশী কষ্টে আছে। অপরদিকে মানুষের পাশাপাশি বিদ্যুতের এই অসহনীয় ভেল্কিবাজী’র সব থেকে বড় শিকার হয় স্থানীয় পত্রপত্রিকার কর্তৃপক্ষ। কারণ বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের ফলে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশেও সৃষ্টি হয় নাজেহাল অবস্থা। পত্রিকা প্রকাশের জন্য রাতভর সকল পত্রিকা অফিসে কর্মীরা বিদ্যুতের আসা যাওয়ার আশঙ্খার মধ্যে কাজ করে। গতকাল বিকাল থেকেই শহরে বিদ্যুতের আসা যাওয়ার এই ভেল্কিবাজী শুরু হয়। তবে, ঠিক কি কারণে এই লোডশেডিং তা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। হঠাৎ করেই বিদ্যুতের এই অসহনীয় লোডশেডিং জনজীবনকে থমকে দেয়। মানুষ প্রচন্ড গরমে হাপিয়ে ওঠে। গতকাল বিকাল থেকে শুরু হওয়া লোডশেডিং এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। গত কয়েদিন আগে চুয়াডাঙ্গা অসহনীয় তাপ্রবাহ সেই সাথে বিদ্যুতের ম্যারাথন লোডশেডিং মানুষসহ সকল প্রাণীকুলকে এক অসহনীয় যন্ত্রনার মধ্যে ফেলে। কিন্তু গতকাল বিকাল থেকে অব্যাহত লোডশেডিং শুরু হওয়ায় মানুষ আবারো লোডশেডিং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।