দর্শনা অফিস: দর্শনা রুদ্রনগর গ্রাম থেকে দুইটি শিশু অপহরণের ২৪ঘন্টা পর উদ্ধার হয়েছে। রুদ্রনগর গ্রামের ওয়াসিম জানান, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার সময় দোয়ার মাঠে আমদের গ্রামের কোমর আলীর ছেলে ওমর ফারুক (৯) ও ওয়াসিমের ছেলে জীবন (১০) হেসো নিয়ে মাঠে ঘাস কাঁটটে যাচ্ছিল। এসময় রুদ্রনগর মুন ইট ভাটর নিকট পৌছাঁলে দর্শনা দিক থেকে আসা একটি মিশুক ঐ দুই শিশুকে বলে খোকা তোমরা কোথায় যাচ্ছ। এসময় জীবন বলে আমরা দোয়ার মাঠে ঘাস কাঁটতে যাচ্ছি। তখন ঐ অপহরণকরীরা বলে বাবা আমরা দোয়ায় যাবো আমদের দেখিয়ে দাও। এই বলে ঐ দুই শিশুকে মিশুকে তুলে নিয়ে মিশুকটি ঘুরিয়ে আবার দর্শনার দিকে চলে যায়। এরপর থেকে জীবন ওমর ফারুক নিখোঁজ হয়। শিশু দুইজনের খুজে না পেয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের খুজে পেতে দর্শনাসহ আশেপাশে মাইকিং করে। মাইকিং শুনে মুন ভাটায় কর্মরত কালু মিয়া তাদের পরিবারকে বলে ঐ ধরণের দুইটি শিশু মিশুকে করে দর্শনার দিকে চলে গেছে। এরপর অনেক খুজাখুজি করতে থাকে পরে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দর্শনা হল্ট ষ্টেশনের একটি হটেল থেকে জীবনের মামা তাদের খুঁেজ পেয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। এ বিষয় অপহত জীবন বলে আমরা দুই জন মাঠে ঘাস কাঁটটে যাচ্ছিলাম, এসময় মুন ভাটার কাছ থেকে আমদের দোয়া দেখানোর কথা বলে মিশুকে তুলে নেয়। এরপর নাকে ও মুখে মলম লাগিয়ে দেয়। আর তখন আমরা সব দেখতে পারছি কিন্তু কথা বলতে পাছি না। এরপর অনেক পরে দেখি ট্রেনের সীটের নীচে আমাদের বস্তা দিয়ে ঢেকে রেখেছে। আমি টের পেয়ে বেরিয়ে আসলে একটি লোক আমার পরিচয় নিচ্ছিল। এসময় ওমর ফারুক কুজো হয়ে ট্রেনের সীটের নিচে ছিলো। তখন আমি ওকে বের করে আনি। তখন ও কাঁদছিলো। এরপর ঐ ট্রেনের যাত্রী আমাদের ৩০০ টাকা দিয়ে ষ্টেশনের একজনকে বলে এদের দর্শনার ট্রেনে তুলে দেবেন। তখন আমরা আবার ট্রেনে করে আসছি। ট্রেনের মধ্যে মাইকে বল্ললো দর্শনা ষ্টেশন তখন আমরা নেমে আসি। এরপর খুব খিদে পেয়ে দর্শনা একটি হোটেলে খেচুরী খেতে গেলে আমার মামা আমাদের খুজে পায়। এছাড়া গত ৭মে দর্শনা পরানপুর গ্রামের বাবলুর ৬বছরের মেয়ে মারুফা বাড়ি পাশে দোকানে গেলে একটি মোটর সাইকেলে করে তাকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় গ্রামের আবুল বাসারের স্ত্রী ঘটনাটি লক্ষ করে মারুফাকে ধমক দিয়ে নিয়ে বাড়িতে দিয়ে আসে।
সমীকরণ প্রতিবেদন