ময়লা ফেলার গাড়ি আসে-যায়, বর্জ্যরে স্তূপও বড় হয়!
- আপলোড তারিখঃ
১৭-০৯-২০২১
ইং
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকায় দুর্গন্ধে দুঃসহ অবস্থা : পৌর কর্তৃপক্ষের গা এলানো ভাব
রুদ্র রাসেল:
প্রতিদিনের চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিপাকে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও ভ্রুক্ষেপ নেই পৌর কর্তৃপক্ষের। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকায় বর্জ্যরে স্তূপে ময়লার ভাগাড় হয়ে গেলেও এখনো গা এলিয়ে জাগর কাটাতেই ব্যস্ত চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ময়লা ফেলার কর্মীরা। আর এর দ্বায় নিতে চাচ্ছেন না মেয়র নিজেও। বর্জ্য স্তূপ থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে রোগী ও তাদের স্বজনেরাসহ জনসাধারণের অবস্থ যখন কাহিল, ঠিক তখনি ময়লা ফেলা না ফেলা নিয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর কর্তৃপক্ষ ও সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঠেলাঠেলি তুঙ্গে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে হাসপাতালের প্রতিদিনের বর্জ্য জমা হয়ে স্তূপে পরিণত হয়েছে। হাসাপাতালের মধ্যে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ আকরাম বলেন, ‘হাসপাতালের কোভিড ইউনিট, জরুরি বিভাগ, বর্হিবিভাগ ও অন্তবিভাগে প্রতিদিন হাজারের বেশি রোগী সেবা নিয়ে থাকেন। এত রোগীর বর্জ্য নিয়ে আমরা গত দেড় মাস ধরে বিপাকে রয়েছি। এই হাসপাতালটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো জনবল, যন্ত্রপাতি বা সুষ্ঠু কোনো ব্যবস্থা নেই। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা তাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে হাসপাতালের বর্জ্য অপসারণ করে আসছিল। কিন্তু গত আগস্ট মাসের শুরুর আগ থেকেই পৌরসভার বর্জ্য নিষ্কাশনের গাড়ি সদর হাসপাতালে আসেনি। ফলে হাসপাতালের প্রতিদিনের বর্জ্য জমে স্তূপে পরিণত হয়েছে। আমরা বিষয়টি বারবার পৌরসভা কর্তপক্ষকে জানিয়েছি। তারা গাড়ি পাঠাবে, বলেও পাঠায়নি।’
অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন বলেন, ‘পৌরসভার ময়লার গাড়ি নিয়মিত হাসপাতালের বর্জ্য অপসারণ করে আসছে। মাঝে কিছুদিন পৌরসভার গাড়ি হাসপাতালে যেতে পারেনি। তবে গত মঙ্গলবার থেকে পৌরসভার একটি ভ্যান নিয়মিত হাসাতালের বর্জ্য অপসারণ করছে। হাসপাতালে বিভিন্ন ধরণের বর্জ্যের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে রোগীদের গজ, ব্যান্ডেজ, অস্ত্রপচারের পর ফেলে দেওয়া শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, সুচ, সিরিঞ্জ এই ধরণের বর্জ্য পৌরসভা থেকে ফেলা হবে না। এই ধরণের বর্জের ব্যবস্থা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই করতে হবে।’
কমেন্ট বক্স