মিলন ও সুমি ফার্মেসীতে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঘুমের ও যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রয়ের অভিযোগ : হিজলগাড়ীর তিন স্কুলছাত্র ঘুমের ঔষধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি!
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৫-২০১৭
ইং
দর্শনা অফিস: হিজলগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩জন ছাত্র ঘুমের ঔষধ ও যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, আমার বিদ্যালয়ের ৩ ছাত্র হিজলগাড়ীর আব্দুল মজিদের ছেলে মোখলেছুর রহমান (দশম শ্রেণী) এর ছাত্র, ফুলবাড়ির বিপুল হোসেনের ছেলে স্বপন আলী (দশম শ্রেণীর) ছাত্র ও হিজলগাড়ীর আব্দুস ছাত্তারের ছেলে ইব্রাহিম (৮ম শ্রেণী) এই তিনজন ছাত্রকে বিদ্যালয়ে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখে তাদের অভিভাবকদের খবর দিয়ে তাদের কাছে তুলে দিয়েছি। ওরা হয়ত হাসপাতালে ভর্তি করেছে। মোখলেছুর রহমান (দশম শ্রেণী) এর ছাত্র বিদ্যালয়ে সভাপতি আশরাফুল আজমের কাছে জানিয়েছে একপাতা ডিসিপ্রিন্ট-২০০ ট্যাবলেট সেবেন আপ এর সাথে মিশিয়ে খেয়ে ফেলেছি। কারণ আমি প্রেম নিবেদনে ব্যর্থ হয়ে এ কাজ করেছি। এছাড়া ইব্রাহীম ও স্বপন কেন খেয়েছে জানা যায়নি। এ ট্যাবলেট কোথায় পেয়েছে জানতে চাইলে ওরা মিলন ও সুমি ফার্মেসী থেকে পাতা ধরে এসব ট্যাবলেট ক্রয় করেছে বলে জানা গেছে। এলাকার সচেতনমহল বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। কারণ প্রেসক্রিপশন ছাড়া একজন ছাত্রের কাছে এসকল ফার্মেসী কেন ঐ ধরণেন ঔষধ বিক্রি করেছে এ প্রশ্ন থেকেই যায়। তবে ৩টাকার ঔষধ ৫০টাকায় বিক্রি করছে বলে কেউ কেউ জানিয়েছেন। বেশি মুল্যে এসব ছাত্রের কাছে এ ধরনের ঔষধ বিক্রি করায় মোখলেছের পরিবারের লোকজন মিলন ফার্মেসীতে এসে গালিগালাজ করেছে বলে অনেকেই জানান। সুমি ফার্মেসীর মালিক আশরাফ আলী বলেন, আমার নির্দেশ আছে ঐ ৪জনের কেউ প্রেসক্রিপশন ছাড়া করো কাছে ঔষধ বিক্রি করবে না। আমি এখানে লেখাপড়া করে এসে ঔষধ বিক্রি করি। আমার কাছ থেকে কোন ছাত্র এধরণের ঔষধ কিনতে পারবে না। আমার সর্ম্পকে এলাকায় এসে জেনে যাবেন তারপর এধরণের কথা বলবেন আপনি এলাকায় এসে জেনে দেখবেন আমি কেমন মানুষ। মিলন ফার্মেসীর মিলন বলেন, আমি ১০টার দিকে দোকানে ছিলাম হিজলগাড়ী মজিদের স্ত্রী এসে বলে আমার ছেলে কি তোমার দোকানে এসেছিল। আমার ছেলে যদি কিছু হয় দেখে নেব। একথা বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমার দোকানে সিসি ক্যামেরা আছে ও হচ্ছে পাশের দোকান থেকে নিয়েছে। এরপর ঐ ছেলের চাচাদের ডেকে বলি দেখেন মজিদের স্ত্রী কিভাবে হুমকি দিয়ে গেলো। ওর (মোখলেছের) চাচা বলে নানা মিলনের দোকান থেকে এসব কিনতে পারে না। তবে ঐ ৩জন ছাত্র সুস্থ্য হলে সঠিক কোন দোকান থেকে ঐ সব ঔষাধ ক্রয় করেছে তা জানা যাবে এলাকবাসী জানান।
কমেন্ট বক্স