মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

২১ আগস্ট রাজনীতির ইতিহাসের রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত অধ্যায় : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার

  • আপলোড তারিখঃ ২২-০৮-২০২১ ইং
২১ আগস্ট রাজনীতির ইতিহাসের রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত অধ্যায় : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার
চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস পালন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে -জেলা আ.লীগের সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ সমীকরণ প্রতিবেদন: চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে। এগুলোর মধ্যে ছিল- পুষ্পস্তক অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। গতকাল শনিবার দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি পালন করেন নেতা-কর্মীরা। চুয়াডাঙ্গা: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ নিহতদের স্মরণে ও আহতদের সুস্থতায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার আছরের নামাজের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজনীতির ইতিহাসের রক্তাক্ত ও কলঙ্কিত অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরে যেভাবে জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল, ২১ আগস্টেও একই উদ্দেশ্য ছিল খুনি চক্রের। ওইদিন আল্লাহর অশেষ রহমতে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। সেদিন যা ঘটেছিল তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে নৃশংস ও নিকৃষ্টতম অধ্যায়। এসময় তিনি ২১ শে আগস্ট বর্বর গ্রেনেড হামলা ও হত্যাকাণ্ডের পর্দার আড়ালের কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠনেরও দাবি জানান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, মুফতি মাসুদ উজ্জামান লিটু বিশ্বাস, উপ-প্রচার সম্পাদক শওকত আলী বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মালিক, কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. বেলাল হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম জহুরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আলাউদ্দিন হেলা, জাতীয় শ্রমিক লীগ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মো. আফজালুল হক বিশ্বাস, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গরীব রুহানী মাসুম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদী মিলি, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা নুরুন্নাহার কাকলী, জাতীয় মহিলা সংস্থা চুয়াডাঙ্গার সভাপতি নাবিলা রুকসানা ছন্দা, জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রুঞ্জু, যুবলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম আসমান, আব্দুল কাদের, জেলা ছাত্রলীগ নেতা অয়ন জোয়ার্দ্দার, সোয়েব রিগান, টোকন, রকি, আকাশ, রিয়ন, এছাড়াও পৌরসভার সকল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অপর দিকে, গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ। গতকাল শনিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা শহীদ হাসান চত্বরের মুক্তমঞ্চে বর্বরোচিত নগ্ন গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্র বিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে সোচ্চার আছে। এই অপশক্তির যে কোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। সকল আইনি বিধি-বিধান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যত দ্রুত সম্ভব ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রায় কার্যকর হবে। এই রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে দেশ থেকে হত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান হবে এবং বাংলাদেশ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ আবাসভূমিতে পরিণত হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামাত জোট যখনই সরকারে এসেছে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্টা করেছে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সারাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। একের পর এক বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা চালিয়ে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালায়। বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস। সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস বলেন, ‘২১ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কময় দিন। ২০০৪ সালের এ দিনে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে বর্বরতম গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ হামলার মূল লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করা এবং আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করে হত্যা, ষড়যন্ত্র, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনকে চিরস্থায়ী করা। যা কখনোই সম্ভব নয়।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ত্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইলহাঁস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. আব্দুল মালেক, চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কবির, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মতিয়ার রহমান মতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জুয়েল রানা, যুগ্ম আহবায়ক ও ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাফিজুর রহমান মাফি, যুগ্ম আহবায়ক ইমরান আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন মিলন। বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা, থানা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা দেবী ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি: [caption id=`attachment_165075` align=`aligncenter` width=`300`]`` ?[/caption] বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টায় তারা দেবী ফাউন্ডেশনের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারা দেবী ফাউন্ডেশন। তারা দেবী ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য পবিত্র কুমার আগরওয়ালার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, জেলা লোকমোর্চার সাধারণ সম্পাদক, প্রথম আলো প্রতিনিধি শাহ আলম সনি, জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সী, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি আলী আকতার ও বাংলাদেশ পোস্টের জেলা প্রতিনিধি এম এম আলাউদ্দিন। আলোচনা সভা শেষে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মামুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জাহিদুল ইসলাম। তারা দেবী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর শিপলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ঠিকাদার ওয়ায়েচ কুরুনি টিটো ও প্রবীন হিতৈষী সংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বকরসহ নেটওয়ার্ক চুয়াডাঙ্গা, আমাদের চুয়াডাঙ্গা ফাউন্ডেশন এবং বাঁধনের প্রতিনিধিগণ। আলমডাঙ্গা: ``আলমডাঙ্গায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নারী নেত্রী আইভি রহমানসহ সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ, সুন্দর, দীর্ঘ জীবন প্রার্থনা করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকাল ৮টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সহিদুল ইসলাম খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, সহসভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, আনিসুর রহমান মল্লিক, খ. হামিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী খালেদুর রহমান অরুন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রমামান পিণ্টু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহম্মদ ডন, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, পৌরসভার প্যানেল মেয়র খন্দকার মজিবুল হক, কাউন্সিলর আব্দুল গাফ্ফার, জহুরুল ইসলাম স্বপন, পরিমল কুমার কালু, ডা. অমল কুমার, জাহাঙ্গীর হোসেন, কামাল হোসেন, যুবলীগ নেতা আহসান উল্লাহ, মহিলা নেত্রী সাহিদা খাতুন, রাবিয়া খাতুন, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল হক, হাসান, অটল প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মদদপুষ্ট বাহিনী গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগকে আরও একবার নেতৃত্ব শূন্য করতে চেয়েছেল। তারা ৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সকল সদস্যদের হত্যা করা হয়েছিল। জাতীয় ৪ নেতাকে জেলখানায় হত্যা করা হয়েছিল। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিচার হয়েছে। এখন যত দ্রুত সম্ভব তাদের বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দর্শনা: ``দর্শনায় শোকাবহ আগস্ট মাস উপলক্ষে জাতীয়, দলীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন শেষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চত্বরে এই আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি মো. আলী আজগার টগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুুনছুর বাবু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রুস্তম আলীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। মেহেরপুর: ``মেহেরপুরে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয় মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রসূল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আসকার আলী, মেহেরপুর জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী, পৌরসভার মেয়র ও যুবলীগের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন। যুবলীগ নেতা জসিউর রহমান বকুলের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রব বিশ্বাস, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রেজা, নিশান সাপের প্রমুখ। পরে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ঝিনাইদহ: ``ঝিনাইদহে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে নানা কর্মসূচির পালন করেছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ নানা সংগঠন। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকালে শহরের পায়রা চত্বর থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করে জেলা ছাত্রলীগ। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রথমে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে জেলা ছাত্রলীগ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা তৈয়ব আলী জোয়ার্দ্দার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আক্কাস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অশোক ধর, এম হাকিম আহম্মেদ, প্রচার সম্পাদক আছাদুজ্জামান আছাদ, সদর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রানা হামিদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সালমা ইয়াছমিনসহ অন্যান্যরা। দুপুর ১২টার দিকে শহরের পাগলাকানাই এলাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরণ। এসময় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে, বিকেলে শহরের এইচএসএস সড়কের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে পৌর যুবলীগ। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাচ আলী, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আশফাক মাহমুদ জন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সদর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক শাহ মো. ইব্রাহিম খলিল রাজা, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক কাজী জাহিদ হাসান দিপুলসহ অন্যান্যরা। আলোচনা সভা শেষে পরে সেখানে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী