মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

‘লকডাউন’ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৭-২০২১ ইং
‘লকডাউন’ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন
চুয়াডাঙ্গায় ৪র্থ দিনের লকডাউনেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্থিতি জেলাজুড়ে ৪৫টি মামলায় ৫২ জনকে প্রায় ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা নিজস্ব প্রতিবেদক: চতুর্থ দিনেও চুয়াডাঙ্গায় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রতিফলন দেখা গেছে। সড়কে মানুষের সংখ্যা একেবারেই কম ছিল। যানবাহনও তেমন ছিল না। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ যাতায়াত করছেন রিকশা বা অন্য কোনো যানবাহনে করে। তবে কিছু অসচেতন মানুষ মানতে চাচ্ছেন না। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনা-বিজিবির জোর টহল। কোথাও কোথাও মোবাইল কোর্টের তল্লাশি। ঈদের পরে সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরুর চতুর্থ দিনে জনশূন্য ছিল পুরো চুয়াডাঙ্গা শহর। বন্ধ ছিল সকল দোকানপাট ও শপিংমল। রাস্তা-ঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। যারাই বের হয়েছিলেন বিশেষ প্রয়োজনে, তাঁদের হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেরার মুখ পড়তে হয়েছে, না হয় জরিমানা গুণেই আবারও বাসায় ফিরে যেতে হয়েছে। গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে ১০টি মোবাইল কোর্টে ৪৫টি মামলায় ৫২ জনকে ৩৬ হাজার ৮৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আছে। জেলায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের সকল ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব দিয়েছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়াও স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী অফিসারগণ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে আছেন। প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, কঠোরভাবে প্রতিপালন করানো হবে এবারের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’। এদিকে, সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া আর তেমন কিছুই চলতে দেখা যায়নি। কিছু ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলতে দেখা গেছে, তবে তা একবোরেই সীমিত। তবে, সকালের দিকে কাঁচা বাজারে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কিছু অসচেতন মানুষ মাস্কবিহীন চলাচল করছিল। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যেও মাস্কের ব্যবহার কম ছিল। নিউ মার্কেট, আব্দুল্লাহ সিটি, ফাতেমা প্লাজা, প্রিন্স প্লাজাসহ সব মার্কেট শপিংমলই বেশ কয়েকদিন থেকেই বন্ধ রয়েছে। বড় বাজার বড় গলিতেও সর্বাত্মক লকডাউনে দোকানি আর পুলিশের লুকোচুরি খেলা দেখা যাচ্ছে না। তেমন কেউই লুকিয়ে দোকান-পাট খোলেননি। সবমিলিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ চতুর্থ দিনও লকডাউনের মতোই ছিল। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রশাসনের সাথে লকডাউন প্রতিপালন করাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মাঠে আছে। আমরা কাজহীনদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি। আশা রাখছি, এই লকডাউনের মধ্যদিয়ে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে।’


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী