মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

‘ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমের দ্বন্দ্বে খুন হয় আবির’

  • আপলোড তারিখঃ ০১-০৭-২০২১ ইং
‘ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমের দ্বন্দ্বে খুন হয় আবির’
স্কুলছাত্র আবির হত্যার ঘটনায় গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমানেরর প্রেস ব্রিফিং গাংনী অফিস: ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেম সংক্রান্ত বিরোধ ও দ্বন্দ্বে ৫ম শ্রেণির ছাত্র আবির হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন মেহেরপুরের গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রহমান। গতকাল বুধবার বেলা দুইটায় তাঁর কার্যালয়ে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, মুজাহিদ, হামিম ও আবির তিনজন পরস্পর আত্মীয় হওয়ার কারণে তারা একসাথে খেলাধূলা করতো। মোবাইল ফোনে সাধারণ গেম খেলতে খেলতে একপর্যায়ে ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে তারা। কয়েক সপ্তাহ পূর্বে মুজাহিদের কাছ থেকে আবির হোসেন ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড নিয়ে সেটি পরিবর্তন করে। সে অ্যাকাউন্টে মুজাহিদের ৫০ হাজার টাকা রয়েছে দাবি করে আবির হোসেনের কাছে ফ্রি ফায়ার-পাবজি গেমে অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড অথবা টাকা ফেরত চাই মুজাহিদ। আবির হোসেন আইডি ও পাসওয়ার্ড না দেওয়ায় বিরোধ শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুহনবীর ছেলে হামিমকে সাথে নিয়ে মিরাজ উদ্দীনের ছেলে মুজাহিদ আবির হোসেনকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। পরে হামিমের বেল্ট খুলে আবিরের গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর পাটের আঁশ দিয়ে হাত বেঁেধ ফেলে রাখার পর আবিরের কাছে থাকা তার মায়ের মোবাইল ফোন থেকে মুজাহিদ আবিরের বাবার কাছে হিন্দি ভাষায় ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে আবিরের বাবা বিষয়টি আবিরের মা রোজিনাকেসহ স্বজনদের জানায়। পরে স্বজনারা আবিরকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করার পাশপাশি ৯৯৯ কল দেওয়া হয়। ফোন কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মুজাহিদ ও হামিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে মরদেহের সন্ধান দিলে উদ্ধর করা হয়। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শিশু আবির হোসেনের মা রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে মুজাহিদ ও হামিমের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ২৩, তারিখ ২৭-০৬-২০২১ইং। মামলার আসামিরা মেহেরপুর আদালতে হত্যাকাণ্ডের দ্বায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। আদালতের নির্দেশে আসামিদের বয়স ১৪ ও ১৫ বছর হওয়ার কারণে যশোর কিশোর সংশোধণাগারে রয়েছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী