বাড়ছে সংক্রমণ, স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনেকের অনীহা!
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০৬-২০২১
ইং
করোনা : চুয়াডাঙ্গা জেলায় ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন
জেলাজুড়ে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ৫৪ জনকে প্রায় ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গতকাল সোমবার জেলাজুড়ে ৯টি মোবাইল কোর্টে ৪৯টি মামলায় ৫৪ জনকে ৩৩ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবুও অসচেতন মানুষের মধ্যে লকডাউন মানার প্রবণতা কম। স্বাস্থ্যবিধি মানার আগ্রহ নেই তাঁদের। করোনা সংক্রমণ উর্ধ্বগতিতে বেড়ে চললেও স্বাস্থ্যবিধি না মানা যেন কারো কারো ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, জীবননগর, দামুড়হুদা, দর্শনায় প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন না করার অপরাধে এসব মোবাইল কোর্টে জরিমানা হচ্ছে। সচেতন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। সোমবার দিনব্যাপী জেলা জুড়ে ৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। দিনব্যাপী এসব মোবাইল কোর্টে ৪৯টি মামলায় ৫৪ জনকে ৩৩ হাজার ২৫০টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
প্রশাসন থেকে মাইকিং সর্বোপরি জরিমানা ও জেল, তাসত্ত্বেও সচেতনতা নেই বহু মানুষের। নিষেধাজ্ঞা যেন মানতেই চাচ্ছেন না তাঁরা। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে সোমবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের অবস্থা প্রায় স্বাভাবিক সময়ের মতো। লকডাউনের কিছুটা প্রতিফলন ঘটলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা প্রকাশকারী লোকজনের সংখ্যাও যেন অসংখ্য। প্রশাসন থেকে বারবার ইজিবাইক জব্দ করা সত্ত্বেও শহরজুড়ে ইজিবাইকের দাপট কমছে না। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেনার তোয়াক্কাও অনেকে করছেন না। বড় বড় শপিং মল, মার্কেট, বিপনী বিতান বন্ধ থাকলেও লুকোচুরি খেলার মতো খোলা হচ্ছে কিছু কিছু দোকানপাট। এছাড়াও খোলা ছিল রাস্তার ধারের ফুটপাতের দোকান। ওই দোকানগুলোতেও প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
পার্শ্ববর্তী আলুকদিয়া ইউনিয়ন থেকে কিছু কিছু ইজিবাইক শহরে ঢোকার চেষ্টা করলে মাথাভাঙ্গা ব্রিজের ওপারে দৌলাতদিয়াড়ে তা আটকিয়েছে পুলিশ। ফেরত পাঠানো হয়েছে পুনরায়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আছে প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ। মাঠপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার বাহিনী কাজ করছে। আমরা চাই, কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হোক। প্রশাসন থেকে অসহায় ও কাজহীনদের মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শর্ত একটাই লকডাউন মানতে হবে।
কমেন্ট বক্স