ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে সরকারি চাকরি মিলবে না
- আপলোড তারিখঃ
২৬-০৬-২০২১
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সরকারি চাকরি প্রার্থী প্রত্যেককে ডোপ টেস্টের আওতায় আসতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পজিটিভ হলে তিনি চাকরি পাবেন না। দ্রুতই এমন একটি কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২১ উপলক্ষে সেমিনারের আয়োজন করে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা ‘মানস’।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারি চাকরিতে প্রবেশ কালে নয়, যারা সরকারি চাকরি করছেন- তাদেরকেও ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হচ্ছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীতে যারা আছেন, তাদেরকে এরই মধ্যে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হয়েছে। টেস্টে যারা পজিটিভ হচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নির্মূলের মতো মাদক নিয়ন্ত্রণে ও জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে বলেছেন। আমরা তার নির্দেশনা মাথায় রেখে কাজ করছি। তরুণ প্রজন্মের মেধাকে ধরে রাখতে না পারলে আমরা ২০৩০ ও ২০৪০ সালের যে স্বপ্ন দেখছি তা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সে দিকে লক্ষ রেখেই আইনকে আরো সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও নিরাপত্তা বাহিনীকেও শক্তিশালী করা হয়েছে। একইভাবে আসক্তদের চিকিৎসায় বিভাগীয় হাসপাতাল ও প্রতিটি জেলা হাসপাতালে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের স্পেশাল বেডের ব্যবস্থা করছি। পাশাপাশি এ মুহূর্তে ৩৬০টি বেসরকারি হাসপাতালে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু এমপি বলেন, মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তিকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে না পারলে যেকোনো সময় আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকাসহ চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন মানসের সাধারণ সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান তালুকদার ও কোষাধ্যক্ষ হোসনে আরা রীনা প্রমুখ। সেমিনারে বলা হয়, বাংলাদেশে জনসংখ্যার ৪৯ ভাগ মানুষ বয়সে তরুণ। আবার মাদকাসক্তদের ৮০ ভাগই কিশোর ও তরুণ। যাদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগ ধূমপায়ী। আবার আসক্তদের মধ্যে শতকরা ৬০ ভাগই বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত।
কমেন্ট বক্স