মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

‘পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই কাটা হচ্ছে শতবর্ষী সব গাছ’

  • আপলোড তারিখঃ ২৪-০৪-২০২১ ইং
‘পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই কাটা হচ্ছে শতবর্ষী সব গাছ’
অভিযোগ; নিয়ম উপেক্ষা করেই সড়কের গাছ কাটছে মেহেরপুর জেলা পরিষদ প্রতিবেদক, মেহেরপুর: ঐতিহাসিক মেহেরপুরে মুজিবনগর সড়কের শতবর্ষী কয়েকটি গাছ কেটে ফেলছে জেলা পরিষদ। ইতোমধ্যে চারটি বিশাল আকৃতির গাছ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫ শ টাকা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে নিলামও সম্পন্ন হয়েছে। মেহেরপুরের মুজিবনগরের যতারপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ জেলা পরিষদের কাছ থেকে এই চারটি গাছ নিলামে কিনে কাটার অনুমতি পেয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়াই মেহেরপুর জেলা পরিষদ শতবর্ষী এসব জীবন্ত গাছ কেটে ফেলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়কের মোনাখালী, দারিয়াপুর, কেদারগঞ্জ ও মুজিবনগর এই চারটি স্থানে শতবর্ষী বিশাল আকৃতির গাছ চারটি এতদিন পথচারীদের ছায়া দিয়ে আসছিল। চারটি গাছই তরতাজা ও জীবন্ত। গাছগুলোর কোনো ডাল বা পাতা শুকিয়ে মরে যাচ্ছে এমন দেখা যায়নি। পাঁচ বছর আগে মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের জন্য সড়কের পাশের ১২৯টি গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জেলা পরিষদ। তবে তখন পরিবেশবাদীদের চরম আপত্তির মুখে ওই গাছগুলো না কেটেই রাস্তা সম্প্রসারণ ও প্রশস্তকরণের কাজ শেষ হয়। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, মোনাখালী মোড়ের গাছটির মাথা বিশাল হওয়ায় গাছটি সড়কের ওপর কিছুটা হেলে পড়েছে। এ কারণে এই গাছটিকে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন। তাছাড়া অন্য গাছগুলো নিয়ে স্থানীয় কারও কোনো আপত্তি নেই। সংশি¬ষ্ট এলাকাবাসী অন্য তিনটি গাছ কাটার বিপক্ষে মত দিয়েছে। মুজিবনগরের দারিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা আকমল হোসেন (৬৮) বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই মুজিবনগর ডিগ্রি কলেজের সামনের এই গাছগুলো দেখছি। খরার সময় মানুষজন গাছের নিচে মাচা তৈরি করে দিনে-রাতে ঘুমিয়ে আড্ডা দিয়ে সময় কাটায়। গাছগুলো ভালোই ছিল। সরকারিভাবে কেন গাছগুলো কাটা হচ্ছে, তা জানি না।’ এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল আলম বলেন, ‘কাটার জন্য চিহ্নিত চারটি গাছ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যখন-তখন বড় ধরনের বিপদ হতে পারে। অসংখ্য পথচারীর জীবন কেড়ে নিতে পারে। তাই ওই চারটি গাছ কাটতে বিভাগীয় কমিশনারের অনুমতিসহ গাছ কাটার যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে। মূল্য নির্ধারণ করে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে নিলামে গাছগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।’ জনস্বার্থে মেহেরপুর জেলা পরিষদ গাছগুলো কাটছে দাবি করে জেলা পরিষদের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র লাগে না সরকারি গাছ কাটতে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী