মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা গাইদঘাটে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর কান্ড : প্রধান শিক্ষিকাকে বিয়ের প্রস্তাব : ক্লাস বর্জনে গ্রামবাসীর মাইকিং : তরিকুলের শাস্তি দাবি

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৪-২০১৭ ইং
চুয়াডাঙ্গা গাইদঘাটে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর কান্ড : প্রধান শিক্ষিকাকে বিয়ের প্রস্তাব : ক্লাস বর্জনে গ্রামবাসীর মাইকিং : তরিকুলের শাস্তি দাবি
ঘটনাস্থল থেকে ফিরে মেছো কার্তিক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাইদঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে প্রেমের প্রেস্তাবে ব্যর্থ হয়ে বিয়ের প্রস্তাবে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজের সম্মান রক্ষা করতে প্রধান শিক্ষিকা ঘটনাটি চেপে যায়। পরে সাধারণ গ্রামবাসি তরিকুলের এমন কান্ডের কথা জেনে গেলে গ্রামজুড়ে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে একপর্যায়ে গ্রামের সচেতন কয়েকজন মাইকিং করে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস বর্জনের অনুরোধ জানালে স্কুলের সভাপতিসহ গ্রামের গন্যমান্য বাক্তিগণের হস্তক্ষেপে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানা যায়। এঘটনার পর নৈশ প্রহরী তরিকুল নিজের ক্ষমতা জাহির করতে ওই প্রধান শিক্ষিকাসহ তার বিরুদ্ধে যাওয়া সবাইকে দেখে নেওয়ার হুমকী দেয় বলে অনেকে নাম প্রকাশ না শর্তে সাংবাদিকদের জানান। এছাড়া বেয়াদপ তরিকুল নিজেকে নির্দোশ প্রমান করতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিক অভিযোগ করেছে বলে জানা যায়। নৈশ প্রহরী তরিকুল সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে সে সাংবাদিকদের সাথে কথা না বলে পরে দেখে নেওয়ার হুমকী দিয়ে চলে যায়। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা গাইদঘাট গ্রামের স্কুল পাড়ার রমযান আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম চার বছর আগে গাইটঘাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরীর নিয়োগে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। গত ৫/৬ মাস যাবত ধরে এই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষিকা আসমাউল আল হুসনাকে হয়রানিসহ বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। লোকলজ্জার ভয়ে প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে আসছিল। এবিষয়ে গাইদঘাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমাউল আল হুসনার সাথে কথা বললে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং  বলেন, তরিকুলের মাথাই সমস্যা আছে। সে বিভিন্ন সময়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের অকারণে মারধর করে এবং নিজের খেয়াল খুশি মত চলাফেরা করেন। এখন কে বা কারা কি জন্য আপনাদের কাছে ভুল তথ্য দিয়েছে তা আমরা জানিনা। তবে নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন এলাকাবাসী প্রতিবেদককে বলেন,  তরিকুলের মাথায় কোন সমস্যা নাই। ৫/৬ মাস যাবত ধরে এই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষিকা আসমাউল আল হুসনাকে হয়রানিসহ বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। সচেতন গ্রামবাসীর অনেকে আরো অভিযোগ করে বলেন, তরিকুল জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করছে। নিজের নাম লিখতে কলাম ভাঙ্গে এমন একজন কেমন করে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ পায়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে গ্রামবাসী। এবিষয়ে বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, তরিকুল নেশাগ্রস্থ একটা ছেলে। ওর মাথায় সমস্যা আছে। আমরা ওর বিকল্প কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনাও হয়েছে। ভাবছি। জাল সার্টিফিকেটের বিষয়ে সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, আমি মাত্র ১৫দিন সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি। চার বছর আগে যে সভাপতি তরিকুলকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি ভাল জানেন, তবে আমার জানামতে তরিকুল সপ্তম শ্রেণী পাশ। ইতিমধ্যে গতকাল তরিকুলের বিরুদ্ধে টিএনও বরাবর একটি অভিযোগ করেছি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী