দিগন্ত বিস্তৃত মাঠজুড়ে শুধুই সবুজের সমারোহ
- আপলোড তারিখঃ
০১-০৪-২০২১
ইং
চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ
ঝিনাইদহ অফিস:
দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে এখন সবুজের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়, শুধুই বোরো খেত। মাঠের পর মাঠ ধান খেত কৃষকের বুক জুড়িয়ে দিচ্ছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পশ্চিমের ৬ জেলায় লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। আগাম চাষ করা ধান খেতগুলোতে শীষ বের হতে শুরু করেছে। বাকি খেতগুলো থোড় অবস্থায় রয়েছে। মাস খানেকের মধ্যে আগাম বোরো ধান কাটা শুরু হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার যশোর জেলায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৫ হেক্টর, ঝিনাইদহ জেলায় ৮০ হাজার ২৮৪ হেক্টর, মাগুরা জেলায় ৩৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩৫ হাজার ৭৪০ হেক্টর, মেহেরপুর জেলায় ১৯ হাজার ১০০ হেক্টর ও কুষ্টিয়া জেলায় ৩৫ হাজার ১৩৬ হেক্টরে বোরো চাষ হয়েছে। এ ৬ জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৮০ হেক্টরে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় চাষিরা বোরো চাষে ঝুঁকেছে। এখন পর্যন্ত বোরো খেতের অবস্থা ভালো বলে চাষিরা জানান। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় সেচ বেশি লাগছে। এতে উৎপাদন খরচ বেশি পড়ছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বোড়াই গ্রামের কৃষক আফন উদ্দীন জানান, তিনি এবার আড়াই বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছেন। ধান থোড় অবস্থায় আছে। তাঁদের এলাকায় বোরোর অবস্থা ভালো। মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের চাষি জিয়াউর রহমান জানান, সাড়ে ৩ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছেন। মাঝে হালকা পোকার আক্রমণ হয়েছিল। এখন নেই। ধানের শীষ বের হতে শুরু করেছে। ফসলের অবস্থা ভাল। বৃষ্টি না হওয়ায় সেচ খরচ বেশি লাগছে। সেচ যন্ত্রের মালিকরা বিঘা প্রতি সেচ দিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহেদুল আমিন জানান, এবার পশ্চিমের জেলাগুলোতে বোরো ধানের অবস্থ ভালো। আগাম চাষকৃত ধানে শীষ বের হয়েছে। এক মাসের মধ্যে বোরো ধান কাটা শুরু হবে।
কমেন্ট বক্স