মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

বেপরোয়া ট্রাক্টরে নষ্ট হচ্ছে সড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনা

  • আপলোড তারিখঃ ২৩-০৩-২০২১ ইং
বেপরোয়া ট্রাক্টরে নষ্ট হচ্ছে সড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনা
দামুড়হুদায় অবৈধভাবে চলছে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি মোজাম্মেল শিশির, দামুড়হুদা: দামুড়হুদায় সরকারি নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দুই ভূমিদস্যু ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়ায় অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেরা এই মাটি বহনের ট্রাক্টারগুলোর চালক। যে কারণে দামুড়হুদায় প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। এদিকে, বহনের সময় পড়ে যাওয়া মাটি একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাঁদায় পরিণত হয়। কিন্তু দামুড়হুদার কোষাঘাটার গ্রামের মোসা ও পুড়াপাড়ার মোমিন ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ১০-১৫টি ট্রাক্টর দিয়ে মাটিগুলো ভাটায় নিচ্ছেন। মাটি বোঝায় ট্রাক্টরগুলো শহরের প্রধান সড়কে সবসময় ছুটে চলেছে। প্রশাসন এদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করবেন এমনটিই চাওয়া সাধারণ জনগণের। জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কোষাঘাটা গ্রামের মৃত ছাব্দার বিশ্বাসের ছেলে মোসা ও পুড়াপাড়া গ্রামের মজিবরের ছেলে মোমিন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে লোকনাথপুর গ্রামের মাঠ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন। মাটিগুলো ইটের ভাটায় নেওয়া হচ্ছে অবৈধ ১০-১৫টি ট্রাক্টর ব্যবহার করে। আর ট্রাক্টরগুলো চালাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়ায় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেরা। যার ফলে দামুড়হুদায় প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। ফসলি জমি পুকুরে পরিণত হচ্ছে, অবৈধ মাটিভর্তি ট্রাক্টর চলায় রাস্তা ভেঙে নষ্ট হচ্ছে, রাস্তায় পড়ে থাকা মাটি ধুলার সৃষ্টি হয়ে সমগ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। এদিকে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করা যাবে না, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া সড়কে গাড়ি চালানো যাবে না। এসব নিয়মের কোনো তোয়াক্কা না করেই ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে ভূমিদস্যূরা। এদিকে, অভিযোগ রয়েছে এক হাজার টাকার বিনিময়ে ট্রাক্টর ড্রাইভারদের দেওয়া হচ্ছে একটি ট্রাক্টরের ছবিসহ কার্ড। কার্ড থাকলেই লাগবে না ড্রাইভিং লাইসেন্স, যেখানে ইচ্ছা মাটি ভরে চলতে পারবে ট্রাক্টর। দামুড়হুদার বন্ড ইটভাটার ম্যানেজার কার্ডগুলো সরবরাহ করছেন। এবিষয়ে কার্ডের পিছনে দেওয়া অস্পষ্ট নামের সঙ্গে দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল দিলেও কেউ সেটি রিসিভ করেননি। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন মুদি ব্যবসায়ী জানান, সকাল হলেই দোকান খুলতে ভয় হয় এ মাটি বোঝায় ট্রাক্টরের জন্য। মাটি বোঝায় ট্রাক্টর উপরে মাটি ঢাকা না থাকায় ধুলাবালি উড়ে দোকানের সমস্ত পণ্যে ভরে যায়। ট্রাক্টরের সঙ্গে নিয়মিত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে সাধারণ মানুষ। প্রশাসন দ্রুত এর ব্যবস্থা নিবে, এমনটায় আশা করছি। একজন ট্রাক্টর চালকের কাছে তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের লাইসেন্সের দরকার পড়ে না। বন্ড ইটভাটার ম্যানেজার আমাদের এক ধরণের কার্ড করে দিয়েছে। এই কার্ড থাকলে রাস্তায় পুলিশ ধরে না। প্রতিমাসে এই কার্ডের জন্য এক হাজার টাকা দিতে হয়।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী