মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, হাফেজ আটক

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৩-২০২১ ইং
শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, হাফেজ আটক
আলমডাঙ্গা পোয়ামারি গ্রামে হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ১২ বছরের ভ্রাম্যমাণ প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা: আলমডাঙ্গার পোয়ামারি গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ১২ বছরের এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে হেফজখানার শিক্ষক আবু মুসার বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার বেলা দুইটার দিকে পোয়ামারি গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের কাছে প্রতিকার চান। পরে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরে গতকাল রাতেই হাফেজ আবু মুসাকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী ওই শিশুর পিতা বলেন, ‘আমার ছেলে পোয়ামারি দক্ষিণপাড়ার হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানার ছাত্র। দুপুরে সে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফিরে আমার বাবার কাছে কাঁদতে কাঁদতে মাদ্রাসার শিক্ষকের কুরুচিশীল কর্মের বিষয়ে বলতে থাকে। পরে আমার শিশুপুত্র আমার নিকটও সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। তার কথায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়ে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে প্রশাসনের সহায়তা চাই।’ এ বিষয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘটনা ঘটার পর বিষয়টি গোপন থাকলেও সন্ধ্যায় ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। পোয়ামারি গ্রামসহ সমস্ত এলাকার মানুষের কাছে দ্রুত ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ জনগণ অভিযুক্ত আবু মুসাকে পাকড়াও করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, অপারেশন) দেবব্রত রায় বলেন, ‘আমরা ৯৯৯ এর ফোন পেয়ে পোয়ামারি গ্রামে শিশু বলাৎকারের ঘটনাটি জানতে পারি। ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে এসআই তৌকির ফোর্স নিয়ে জনতার হাতে পাকড়াও অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ আবু মুসাকে আটক করে। আবু মুসা হুজুর বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে। এ বিষয়ে হুজুর আবু মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি শিশু বলাৎকারের ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে স্বীকার করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ হয়নি। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী