চুয়াডাঙ্গার এক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ পাঁচজন বরখান্ত
- আপলোড তারিখঃ
১৭-০৩-২০২১
ইং
এনআইডি জালিয়াতি, ইসি সচিবালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপন ও আদেশ জারি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতিতে অভিযুক্ত চুয়াডাঙ্গার এক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ চার নির্বাচন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত সোমবার এ সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন ও আদেশ জারি করেছে ইসি সচিবালয়। বরখাস্ত পাঁচজন হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন অফিসে নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে সদ্য যোগদানকৃত ও কুষ্টিয়া সদরের সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাশ, ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব ও কুষ্টিয়ার সাবেক সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া সদরের সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুমারখালীর সাবেক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ছামিউল আলম এবং কুষ্টিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক জি এম সাদিক।
কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গত সেপ্টেম্বর মাসে এ চক্রের প্রধানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্র জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে নিজেরাই ক্রেতা-বিক্রেতা সেজে রেজিস্ট্রেশন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় অন্যের জায়গা-জমি দখল করে আসছিল। এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডের বাসিন্দা এম এম এ ওয়াদুদ এ প্রতারক চক্রের ১৮ সদস্যের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০১২ জনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি গঠন করে ইসি সচিবালয়। তাতে ইসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুষ্টিয়ার এনএস রোডের এস এম এ ওয়াদুদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের তথ্যাদি ধারণ করে ছয় ব্যক্তির এনআইডি নেওয়ার অভিযোগের পর গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেমদ বলেন, ‘আমার অফিসে নির্বাচন কর্মকর্তা নামে একটি পদ আছে। গত ১৪ তারিখে অমিত কুমার দাশ এ পদে যোগদান করেছেন। তবে আমিও জেনেছি, আজই (মঙ্গলবার) তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’
কমেন্ট বক্স