মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পৌরসভা দখলের লড়াই আজ, কে হচ্ছেন নতুন পৌর পিতা?

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০২-২০২১ ইং
পৌরসভা দখলের লড়াই আজ, কে হচ্ছেন নতুন পৌর পিতা?
চতুর্থ ধাপের পৌর নির্বাচন : সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, আলমডাঙ্গা, জীবননগরসহ ৫৫ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ প্রশাসন বলছে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে : ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান প্রার্থীদের সমীকরণ প্রতিবেদক: চতুর্থ দফায় আলমডাঙ্গা, জীবননগরসহ দেশের ৫৫ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই দফায় ২৫ পৌরসভায় ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে। বাকি পৌরসভায় ভোট হবে ব্যালটের মাধ্যমে। ইতোমধ্যে পৌরসভায় ভোট সুষ্ঠু করতে ইসির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই দফায় ৫৬ পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হলে অনিবার্য কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে, আজ আলমডাঙ্গা ও জীবননগর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। আলমডাঙ্গা পৌরসভায় ইভিএম-এর মাধ্যমে ও জীবননগর পৌরসভায় ব্যালটের মাধ্যমে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি অলি-গলির চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজারে সর্বত্র ভোটের আলোচনা-সমালোচনার সময় শেষ হয়েছে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সময় এসেছে। ইতোমধ্যে দুটি পৌরসভাতেই নির্বাচনী সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন দিনশেষে কে হবেন আলমডাঙ্গা ও জীবননগরের পৌর পিতা, ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর সেই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে বেগ হবে না বেশি, আজই জানা যাবে নতুন পৌর পিতার নাম। এদিকে, ভোট গ্রহণ উপলক্ষে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি কেন্দ্রসহ শহরের অলি-গলি-বাজার সাজানো হয়েছে পোস্টারে পোস্টারে। বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ঝুলছে ব্যানার-ফেস্টুন। সবমিলিয়ে ব্যাপক উৎসব এবং উদ্দীপনার মধ্যেই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘন বা বিশৃঙ্খলা হলে নেওয়া হবে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকেই দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। ইভিএমে ভোট গ্রহণ নিয়ে নির্বাচন কমিশন বলছে, কোনো প্রকার ভোট কারচুপি সম্ভব নয়। কারচুপি যাতে না হয়, সেজন্য সকালে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হবে কেন্দ্রে কেন্দ্র। আর ইভিএমে কারচুপি করার কোনো সুযোগই নেই। জেলা নির্বাচন অফিসার ও পৌর নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার তারেক আহমেমদ জানান, ‘নির্বাচন একশ শতাংশ স্বচ্ছ হবে। আমরা তৎপর আছি। নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিবে।’ জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার এস এম মুনিম লিংকন বলেন, জীবননগর পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসারসহ ২ প্লাটুন বিজিবি নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও ১২ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে দায়িত্ব পালন করবেন ৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম সরকার জানান, এর আগেও চুয়াডাঙ্গায় কয়েকটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এবারের আলমডাঙ্গা ও জীবননগর পৌর নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, সেটা আমি আশ্বস্ত করছি। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার ইতোমধ্যে নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী পুলিশ অফিসার ফোর্সদের সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কারও গাফলতির কারণে অবাধ ভোট গ্রহণ বিঘ্নিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পরিশেষে পুলিশ সুপার সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটের সাথে সংশ্লি¬ষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ভোটারসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। নির্বাচনে বিশৃঙ্খলাকারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, জীবননগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সাধারণ কাউন্সিল পদে ৩৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৪র্থ ধাপে নির্বাচনে জীবননগর পৌরসভায় আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১০টি কেন্দ্র ও ৩টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের কার্যক্রম চলবে। পৌরসভার মোট ভোটার ২০ হাজার ৮২৭ জন। পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ১৩৩ জন ও মহিলা ভোটার ১০ হাজার ৬৯৪ জন। জীবননগর পৌরসভায় মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রাথী মো: রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাজান কবির ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখার প্রতীকে খোকন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে চশমা প্রতীকে পেয়ারা বেগম ও আনারস প্রতীকে মাহফুজা পারভীন। ২ নম্বর ওয়ার্ডে টেলিফোন প্রতীকে কাত্যায়নী রাণী ভক্ত, আনারস প্রতীকে খালেদা আলম, চশমা প্রতীকে পরিছন বেগম ও জবা ফুল প্রতীকে রিনা খাতুন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চশমা প্রতীকে রিজিয়া বেগম, টেলিফোন প্রতীকে রেখা খাতুন ও আনারস প্রতীকে শাহানারা খাতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে আপিল মাহমুদ (পাঞ্জাবি), আপেল মাহমুদ (পানির বোতল) ও রেজাউল বিশ^াস (উটপাখি)। ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাইদুর রহমান (পানির বোতল) ও জয়নাল আবেদীন (ডালিম)। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাংবাদিক আতিয়ার রহমান (উট পাখি), আশাদুল ইসলাম (ডালিম), ইলিয়াছ হোসেন (ব্রিজ), ইয়াদুল বিশ^াস (পানির বোতল), কামরুজ্জামান (গাঁজর), খোকন (টেবিল ল্যাম্প), রফিকুল ইসলাম (ব্লাক বোর্ড) ও শাহাজামাল উদ্দীন (পাঞ্জাবি)। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রশিদ (পাঞ্জাবী), কামরুজ্জামান (পানির বোতল), কামাল উদ্দীন (ডালিম), বিল্লাল হোসেন (উট পাখি) ও শোয়েব আহাম্মেদ অঞ্জন (টেবিল ল্যাম্প)। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর খন্দকার আলী আজম (উট পাখি), আনারুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প) ও সাংবাদিক জামাল হোসেন খোকন (পানির বোতল)। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী নাসির ইকবাল ঠান্ডু (উটপাখি), বর্তমান কাউন্সিলর আবুল কাশেম (ডালিম), সাংবাদিক আল মামুন রনি (পানির বোতল), মুরাদ হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) ও সাজু আহাম্মেদ (পাঞ্জাবি)। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আক্তারুজ্জামান (পানির বোতল), বর্তমান কাউন্সিলর ওয়াসিম রাজা (উটপাখি) ও সাংবাদিক রবিউল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প)। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আল মামুন (পানির বোতল), আশরাফ হোসেন (ডালিম) ও শহিদুল ইসলাম (উট পাখি)। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আফতাব উদ্দীন (উটপাখি), আসাদুল হক (পাঞ্জাবি), চাঁন আলী (ব্লাক বোর্ড), জহুরুল ইসলাম (ডালিম), মতিয়ার রহমান (টেবিল ল্যাম্প) ও শুকুর আলী (পানির বোতল)। অপর দিকে, আলমডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মেয়র হাসান কাদির গনু মিয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মীর মহিউদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোবাইল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. সবেদ আলী। নির্বাচনে ৩ জন মেয়র প্রার্থী, ১২ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৩৬ জন সাধারণ কাউন্সিলরসহ মোট ৫১ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ করছেন। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর: ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলে গঠিত সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ২৩৫ জন। এ ওয়ার্ডে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে কল্পনা খাতুন (চশমা), রুমা খাতুন (জবা ফুল) ও শিপ্রা বিশ^াস (আনারস) প্রতীক পেয়েছেন। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড মিলে গঠিত সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৮ জন। এ ওয়ার্ডে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে রাবেয়া খাতুন (আনারস), রেখা খাতুন (জবা ফুল), সুফিয়া খাতুন (চশমা) ও আয়েশা সিদ্দিকা (বলপেন) প্রতীক পেয়েছেন। ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মিলে গঠিত সংরক্ষিত ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ৬ জন। এ ওয়ার্ডে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে নুরজাহান খাতুন (টেলিফোন), রীতা খাতুন (জবা ফুল), রসিদা খাতুন (দ্বিতল বাস), আরজিনা খাতুন (আনারস) ও মনোয়ারা খাতুন (চশমা) প্রতীক পেয়েছেন। সাধারণ কাউন্সিলর: ১ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৮৩ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। এদের মধ্যে আলাল উদ্দিন (পানির বোতল), মাসুদ রানা তুহিন (উটপাখি), শরীফুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প), নাহিদ হাসান তমাল (পাঞ্জাবি) ও মিকাইল হোসেন (ডালিম) প্রতীক পেয়েছেন। ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৪৩৫ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন প্রার্থী। এদের মধ্যে কাজী আলী আজগর সাচ্চুর (উটপাখি) ও খন্দকার মজিবুল ইসলাম (পানির বোতল) প্রতীক পেয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৭১৭ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। এদের মধ্যে জহুরুল ইসলাম স্বপন (টেবিল ল্যাম্প), দীনেশ কুমার বিশ^াস (উটপাখি) ও নওশের আলী (পানির বোতল) প্রতীক পেয়েছেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৩৪৪ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নয়জন প্রার্থী। এদের মধ্যে সদর উদ্দিন ভোলা (ডালিম), শাহীন রেজা (টেবিল ল্যাম্প), আকতারুজ্জামান (পাঞ্জাবি), ইলিয়াস হোসেন (স্ক্রু ড্রাইভার), আলম হোসেন (উটপাখি), কাজী হাবিবুর রহমান (ফাইল কেবিনেট), পরিমল কুমার ঘোষ কালু (পানির বোতল), বিমল কুমার বিশ^াস (ব্রিজ) ও জয়নাল আবেদীন (ব্লাকবোর্ড) প্রতীক পেয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৭ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী। এদের মধ্যে আব্দুল গাফফার (উটপাখি), সিরাজুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প), শহিদুল ইসলাম (পানির বোতল) ও মশিউর রহমান (ডালিম) প্রতীক পেয়েছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ২৩৭ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী। এদের মধ্যে রেজাউল হক তবা (উটপাখি), ডালিম হোসেন (ডালিম), আবুল কাশেম (টেবিল ল্যাম্প) ও লালন আলী (পানির বোতল) প্রতীক পেয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৬০২ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারচন প্রার্থী। এদের মধ্যে ফারুক হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), বাপ্পি (উটপাখি), শামীম আশরাফ (পানির বোতল) ও আসাদুল হক (ডালিম) প্রতীক পেয়েছেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ১০৪ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। এদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম (উটপাখি), দোলায়ার মোল্লা (ডালিম) ও আশরাফুল হোসেন (পানির বোতল) প্রতীক পেয়েছেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩ শ জন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন প্রার্থী। এদের মধ্যে মামুন অর রশিদ হাসান (টেবিল ল্যাম্প) ও সাইফুল মুন্সি (উটপাখি) প্রতীক পেয়েছেন। নির্বাচন অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার ১৩৯ জন। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ১৩ হাজার ৫৫৮ জন ও পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৫৮১ জন।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী