বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

  • আপলোড তারিখঃ ২০-১২-২০২০ ইং
চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ : বেড়েছে শীতের প্রকোপ মেহেরাব্বিন সানভী: চুয়াডাঙ্গায় বেড়েছে শীতের প্রকোপ। গতকাল শনিবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমেছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, চুয়াডাঙ্গায় গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। দিনের বেলায় শীত কম থাকলেও রাত যত বেশি হচ্ছে শীত তত বাড়ছে। সকালের দিকে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে। এদিকে, হাড় কাপানো তীব্র শীতের সাথে কনকনে বাতাসে অনকটা বিপর্যস্ত নেমে এসেছে চুয়াডাঙ্গার ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের জনজীবনে। দিনের বেলা সূর্যের আলো থাকলেও তেমন উত্তাপ ছড়াচ্ছে না। সেই কারণে শীতের তীব্রতা বেশী মনে হচ্ছে। খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষগুলোকে সকালে কাজে বের হতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। খড়কুটোর আগুনই তাঁদের একমাত্র ভরসা। সবচেয়ে বেশি বিপদে আছে বৃদ্ধ আর শিশুরা। শীত নিবারনের জন্য তারা ছুটছে কম দামের কাপড়ের দোকানে। গত ক’দিন ধরে কমদামের কাপড়ের দোকানগুলো উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা তেমন না বাড়লেও শীত মোকাবিলায় ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে আসে। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরাই এ-রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। চলতি মৌসুমে শীত বাড়লেও এখনও হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা তেমন বাড়েনি। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য আমরা সদর হাসপাতালসহ সকল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, এ পর্যন্ত জেলায় ২০ হাজারের ওপরে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তাছাড়া আরও ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম্বল কেনা হয়েছে যা খুব তাড়াতাড়ি বিতরণ করা হবে। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, আকস্মিক তাপমাত্রা কমে যাওয়া, মেঘলাভাব কেটে যাওয়া ও উত্তর থেকে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রা আরো কমতে পারে। বিশেষ করে সকালের দিকে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’