মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা সদরের কৃষ্ণপুর সুবোধপুর ও বোয়ালমারিপাড়ায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অব্যাহত বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা : একপক্ষের থানায় অভিযোগ : পুলিশ নীরব

  • আপলোড তারিখঃ ২৪-০৩-২০১৭ ইং
চুয়াডাঙ্গা সদরের কৃষ্ণপুর সুবোধপুর ও বোয়ালমারিপাড়ায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অব্যাহত বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা : একপক্ষের থানায় অভিযোগ : পুলিশ নীরব

দর্শনা অফিস: কৃষ্ণপুর সুবোধপুর ও বোয়ালমারিপাড়ার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া বিরাজমান। থানায় দু’পক্ষের অভিযোগ হওয়া সত্তেও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর সুবোধপুর ও বোয়ালমারিপাড়ার মধ্যে গত ২২ তারিখে আনুমানিক পৌনে ৬টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। এই মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত তিনদিন যাবত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অব্যাহত রয়েছে। গত ২৩ তারিখে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হয় তাস খেলাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সোর্স বোয়ালমারিপাড়ার আলোচিত বাক্কাকে মারধর ও দোকান ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অভিযোগ করে বাক্কা আইনের সহায়তা চাই। কিন্তু সরেজমিনে গেলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসে। এলাকাবাসী জানায়, গত ২০তারিখ সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সুবোধপুর গ্রামে হাসানের চায়ের দোকানে গ্রামের মন্ডল নেকবার আলী, মসলেমের ছেলে মুসা, নাজের আলির ছেলে কাদের, নবিছদ্দিনের ছেলে ডালিম অবসর সময়ে তাস খেলছিলো। এসময় টহলরত হিজলগাড়ি পুলিশ তাদের দেখে খেলা বন্ধ করতে বলে। এঘটনা এলাকায় রটে সুবোধপুর গ্রামের বাক্কা পুলিশের সোর্স সেই এই গ্রামে পুলিশ পাঠিয়েছে সবাইকে নিজের ক্ষমতার জাহির করতে। কিন্তু মারামারির ঘটনা ঘটে তারও দুই দিন পর। তারমানে তাস খেলার সাথে এই মারামারির কোন সম্পৃক্ততা নেই। মারামারির দিন বিকাল সাড়ে ৪টার সময় সুবোধপুর গ্রামের সাইফুলের ছেলে আরিফুল নুর ইসলামের ছেলে ই¯্রাফিল, নেকবারের ছেলে আজমুল, বকুল, সবুজ, ইউসুফসহ প্রায় ১২জন বোয়ালমারিপাড়ার স্কুলমাঠে ক্রিকেট খেলতে যায়। ঐ খেলার মাঠের পাশে একটি ছোট কুড়ে ঘরে বোয়ালমারিপাড়ার রহিমের ছেলে আলোচিত মাদক ব্যাবসায়ী আবু বকর ওরফে বাক্কা দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। ঠিক ঐ দিন বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাক্কার কাছ থেকে ঐ কুড়েঘরে মাদক কিনতে আসে নুর ইসলামের ছেলে রজব, দিনু মোল্লার ঘর জামাই সাত্তার, মসলেমের ছেলে মুসা। এসময় মাঠে খেলারত যুবকরা মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করে আর বলে এখানে মাদক বিক্রি করো না। আমরা এখানে খেলাধুলা করি। খেলোয়াড় যুবকদের কথায় বাক্কাসহ মাদক কিনতে আসারা খেলোয়াড়দের অকথ্যা ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। একপর্যায়ে খেলোয়াররা খেলার ব্যাট ও স্টাম্প দিয়ে বাক্কাসহ মাদকাসক্তদের মারতে তাড়তে থাকে। বাক্কা দ্রুত পালিয়ে যেয়ে নিজের দোকান ঘরে আশ্রয় নিলে রাগান্নিত খেলোয়াড়রা বাক্কার দোকান ঘরের সাটারে লাথি মারে এবং বাক্কাকে কিল ঘুসি মারে। এই মারামারিকে কেন্দ্র করে গতপরশু সকাল ১০টায় সুবোধপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে জাহিদুলকে রাস্তায় পেয়ে বাক্কা ও তার লোকজন বেধড়ক মারধর করে। এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় বাক্কা নিজেকে নির্দোষ দ্বাবী করে ক্রিকেট খেলা যুবকদের নামে অভিযোগ করে। এঘটনায় এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই গ্রামের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। যে কোন মুর্হুতে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা করছে এলাকাবাসী।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী