বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

করোনা ও উপসর্গে দুজনের মৃত্যু!

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৮-২০২০ ইং
করোনা ও উপসর্গে দুজনের মৃত্যু!
চুয়াডাঙ্গায় নতুন ১৬ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ১৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের ইয়োলো জেনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার রাত ৯টায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসে ৩১ জনের রিপোর্ট এসে পৌঁছায়। এর মধ্যে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ ও বাকি ১৫ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। জেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩ জনে। গতকাল জেলায় নতুন আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে সদর উপজেলার মুক্তিপাড়ার ২ জন, সিঅ্যান্ডবি পাড়ার ২ জন, ফায়ার সার্ভিসের স্টাফ ১ জন, ডিসি-বাংলোর ৩ জন, রাজশাহীর বাঘেরপাড়ার ১ জনসহ (চুয়াডাঙ্গা সদর থেকে নমুনা প্রেরিত) সদরে মোট ১০ জন। দামুড়হুদা উপজেলার দশমীপাড়ার ১ জন, গুলশানপাড়ার ১ জন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ১ জন স্টাফসহ মোট ৩ জন ও জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ গ্রামের ১ জন, খয়েরহুদা গ্রামের ১ জন, প্রাইমারি স্কুলপাড়ার ১ জনসহ মোট ৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ১০ জন ও নারী ৬ জন। বয়স ৭ থেকে ৭২ বছরের মধ্যে। জানা যায়, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ গত শনিবার করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ৩১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। গতকাল রাত ৯টায় উক্ত ৩১টি নমুনার ফলাফলই এসে পৌঁঁছায়। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ গতকাল ৭৭টি নমুনা সংগ্রহ করে। সদর উপজলো থেকে ৫৫টি, আলমডাঙ্গা উপজেলা থেকে ২২টি নমুনাসহ সংগৃহীত ৭৭টি নমুনা পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে, গতকাল চুয়াডাঙ্গায় করোনা উপসর্গ নিয়ে হামিদুল ইসলাম (৭৫) নামের এক বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের ইয়োলো জোনে গতকাল সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত হায়দার ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার আবুরি গ্রামের হায়দার হোসেনের ছেলে। জানা যায়, হামিদুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। সেখানে হামিদুর রহমানের শরীরে করোনা উপসর্গ পরিলক্ষিত হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালের ইয়োলো জোনে ভর্তি করেন। ইয়োলো জোনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির জানান, হামিদুর রহমানের দীর্ঘদিন যাবত সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত ছিলেন। গতকাল অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে সকাল ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ইয়োলো জোনে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দুপুর ১২টার দিকে মৃত্যু হয় হামিদুর রহমানের। মৃত্যুর পর নিহতের শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং করোনা প্রটোকলে নিহতের দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিস গতকাল করোনা আক্রান্ত হয়ে আকরামুল নামের এক বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে বলে জানায়। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২০ জনে। চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ৪ হাজার ৩১৩টি, প্রাপ্ত ফলাফল ৪ হাজার ১৪৮টি, পজিটিভ ১ হাজার ১৩ জন ও নেগেটিভ ৩ হাজার ৪৫ জন। জেলায় মোট সুস্থতার সংখ্যা ৫২৬ জন ও মৃত্যু ২০ জন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলায় গতকাল হোম আইসোলেসনে ছিল ৪১০ জন ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ছিল ৫৫ জন।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’