বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পাতি মাস্তানদের পৌরসভায় ঢুকতে দেওয়া হবে না- সাবেক মেয়র টোটন

  • আপলোড তারিখঃ ৩০-০৭-২০২০ ইং
পাতি মাস্তানদের পৌরসভায় ঢুকতে দেওয়া হবে না- সাবেক মেয়র টোটন
এমপির প্রতিনিধিদের আটকে রাখার অভিযোগ তুলে পৌর আওয়ামী লীগের মানববন্ধন নিজস্ব প্রতিবেদক: পৌরসভায় ভিজিএফ-এর চাল বিতরণে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিকে আটকে রাখার অভিযোগ এনে চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের উদ্দ্যেগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা একটি সেবার স্থান। আজ এই পৌরসভা পৌর মেয়রের পাতি মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণে। আজকের পর থেকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় কোনো পাতি মাস্তান প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। যদি কোনো মাস্তান পৌরসভায় প্রবেশ করে, তাহলে আমরা চুয়াডাঙ্গার সচেতন পৌরবাসীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব। তিনি আরও বলেন, আজ পৌরসভায় কোনো মানুষ কাজের জন্য আসলে, তাদের কাছ থেকে সেবার নামে টাকা নেওয়া হয়। বর্তমানে পৌরসভায় কেউ নাগরিক সেবা পায়না। মেয়র অফিসে আসার সময় প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাতি মাস্তানদের সঙ্গে নিয়ে বসে থাকে। তিনি পৌর মেয়রকে অযোগ্য দাবি করে বলেন, আজ আমরা এমনই একজনকে মেয়র হিসাবে পৌর পরিষদের পবিত্র স্থানে বসিয়েছি, যে কি না রাতের আধারে জনগণের চাল চুরি করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভিজিএফ-এর চাল পৌরবাসীর কেউই সঠিকভাবে পাচ্ছে না। রাতের আধারে নাগরিকদের চাল দেওয়ার কথা বলে সব চাল তার চেলকো-পাতি মাস্তান বাহিনী দিয়ে আত্মসাৎ করছে। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেনা অনুযায়ী ভিজিএফ-এর চাল বিতরণসহ সকল উন্নয়নমূলক কাজের সময় প্রতিটা ওয়ার্ডের স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া দুইজন করে প্রতিনিধি সেখানে থাকবে। সেই মোতাবেক চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য তার দুইজন প্রতিনিধিকে গত মঙ্গলবার সেখানে পাঠান। পৌর মেয়র তার মাস্তান বাহিনী দিয়ে তাদেরকে লাঞ্ছিত করে এবং পৌরসভার গাড়ির গ্যারেজে আটকে রাখে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-১ আসেনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি খবর পেয়ে সেখানে যান এবং পৌর আওয়ামী লীগের আটকে থাকা নেতৃবৃন্দদের সেখান থেকে মুক্ত করেন। এ সময় পৌর মেয়র সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন কুৎসা রটিয়ে বেড়ায়। আমরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ, পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ, চুয়াডাঙ্গা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা জেলা পরিষদের সদস্য নুরুন্নাহার কাকুলী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গরীব রুহানী মাসুম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাদী মিলি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সহসভাপতি সাহাবুল হোসেনসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনের আলোচনা সভার সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’