নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা বাসীদের দীর্ঘ দিনের দাবীর এক যুগ পর আনছারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশনটি আবার চালু হলো। গতকাল দুপুরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রেল মন্ত্রী মজিবুল হক এমপি ঘোড়শাল রেল স্টেশনসহ সারা দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া ৬০টি রেল স্টেশনের পূনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর শুভ উদ্বোধণ করেন। একই সাথে চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলারর ঐতিহ্যবাহী আনছারবাড়িয়া রেল স্টেশনটিও মন্ত্রী শুভ উদ্বোবধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আনছারবাড়ীয়া রেল স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাষ্টার মিন্টু রায় ঘোড়াশাল রেল স্টেশনের উদ্বোধনী ঘোষণা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্থানীয় গণমার্ন ব্যাক্তিদেরকে শুনান। স্টেশন উদ্বোধন উপলক্ষে আনছারবাড়ীয়া রেল স্টেশন উন্নয়ন ও রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মহসিন খানের সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ রেওয়ের খুলনা জোনের সাব এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার শেখ মনিরুজ্জামন, বীর মুক্তিযুদ্ধা জয়নাল আবেদীন, আন্দুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সফিকুল ইসলাম মুক্তার, আনছারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশনের ষ্টেশন মাষ্টার মিন্টু কমার রাই,আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ খন্দকার মিজানুর রহমান,আনছারবাড়ীয়া রেল স্টেশন উন্নয়ন ও রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সহসভাপতি শেখ আ: ওয়াদুদ, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুরি রহমান, আন্দুলবাড়ীয়া বন্ধু কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি খান তারিক মাহমুদ, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী নারান ভৌমিক, শুধিজন শেখ আব্দুর রহমান, ফিরোজ আহম্মেদ ,ফয়েজ আহম্মেদ ও লাবু প্রমুখ। এই উদ্বোধনীতে আনছারবাড়ীয় রেল স্টেশন চালু হলেও এলাকাবাসী খুশি নয়। কারণ এলাকাবাসীর মূল যে দাবী তা হলো আনছারবাড়ীয় রেল স্টেশনে আন্তনগর রেলগুলির স্টপেজ। এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা দিনে ৩ টি লোকাল রেল। যা এলাকার মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। তাদের দাবী আনছারবাড়ীয়া রেল স্টেশনের সার্বিক অবকাঠামো ও লোকবল বাড়িয়ে আন্তনগর রেলগুলির স্টপেজ দেওয়া হোক।
সমীকরণ প্রতিবেদন