নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ অফিসের জাকিরসহ ৪জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলের ভূয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মশিউর রহমান। গতকাল সোমবার রাতে মোটর মেকানিক নুরুল ইসলাম হিরা, মনিরুল ইসলাম, বিআরটিএ অফিসের জাকির ও তার ভাই সাদিক হোসেনের নাম উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মশিউর রহমান ২০১০ সালে একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল কিনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ওই বছরেই চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সাদেক আলী মল্লিকপাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম হিরা (৫৪) ও পলাশপাড়ার মৃত সাহেব আলীর ছেলে মনিরুল ইসলামের (৩৫) ২৬ হাজার টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেন। পরবর্তিতে অনেক ঘুরিয়ে নুরুল ইসলাম হিরা ২০১২ সালের নভেম্বরে একটি একনলেজমেন্ট সিøপ দেয়। তিন মাস পর বিআরটিএ অফিসের জাকির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মূল সনদ দেবে বলেও জানায় সে। তারপর থেকে মোটরসাইকেলের পিছনে নম্বর প্লেটে চুয়াডাঙ্গা- ল- ১১-১২৮৫ নম্বর দিয়ে মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন তিনি। এদিকে, গতকাল সোমবার বিষয়টি জানাজানি হলে, সাদেক আলী মল্লিকপাড়ার সাইফুল ও গাড়াবাড়িয়া গ্রামের মাইদুল ইসলাম পিকলুকে সাথে নিয়ে হিরার গ্যারেজে গিয়ে হিরা ও মনিরুলকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন ডা. মশিউর রহমান। এসময় তারা জানায়, বিআরটিএ অফিসের দালাল জাকির ও সাদিকের কাছে ওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জন্য ১৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে জাকির ও তার সহযোগীর লোকজন একটি জাল রেজিস্ট্রেশনের একনলেজমেন্ট সিøপ দেয়। তারা পরস্পর যোগসাজসে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে রেজিঃ সনদের টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দিয়ে জাল এ্যকনলেজম্যান্ট তৈরী করে দেয়। তারা বিআরটিএ অফিসের জাল-জালিয়াতির চক্রের সক্রিয় সদস্য। এ বিষয়ে গতকাল সোমবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একোটি মামলা দায়ের করেন ডা. মশিউর রহমান। মামলায় নুরুল ইসলাম হিরা, মনিরুল ইসলাম, বিআরটিএ অফিসের জাকির ও তার ভাই সাদিক হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়।
সমীকরণ প্রতিবেদন