মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বড়শলুয়া গ্রামে শমসের আলীর দুই স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব অ্যাসিড নিক্ষেপ মামলায় সতিনসহ তিনজন গ্রেফতার

  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০৩-২০১৭ ইং
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বড়শলুয়া গ্রামে শমসের আলীর দুই স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব অ্যাসিড নিক্ষেপ মামলায় সতিনসহ তিনজন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতবেদক: চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া গ্রামে গৃবধূর মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সতিনের মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলায় এজাহারনামীয় আসামী সতিনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের বড়শলুয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। গত ৩ মার্চ অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর একটি মামলা দায়ের করেন অ্যাসিড নিক্ষেপের শিকার নিলুফার ইয়াসমিন। মামলার আসামী সতিন সাইফুন নাহারসহ গ্রেফতারকৃত তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করলে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) আমির আব্বাস সমীকরণকে জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের বড়শলুয়া গ্রামের শমসের আলীর দুই স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিলো। তার জের ধরে গত ৩ মার্চ শুক্রবার রাতে শমসেরের প্রথম স্ত্রী সাইফুন নাহার তার সতিন নিলুফার ইয়াসমিনের মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। এতে নিলুফার ইয়াসমিনের বাম চোখে দগ্ধ হয়। ওই রাতেই তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। নিলুফারের চোখে অ্যাসিড লাগার কারণে তার চোখে বড় ধরণের ক্ষত সৃষ্টি হয়। তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনের ৫ ও ৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন নিলুফার ইয়াসমিন। মামলায় বড়শলুয়া গ্রামের শমসের আলীর প্রথম স্ত্রী সাইফুন নাহার (৪০), মৃত ওহাব খানের ছেলে ওহেদ খান (৪২) ও আরিফ খানকে (৩৫) আসামী করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বড়শলুয়া গ্রামে অভিযান চালায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ। গ্রামের সেন্টারপাড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গতকালই গ্রেফতারকৃতদের চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিকেলে আদালতের বিচারক চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. এবিএম মাহমুদুল হক আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী