মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জঙ্গিবাদী বই বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ধারালো অস্ত্রসহ দুই হুজি সদস্য আটক

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০১-২০১৭ ইং
জঙ্গিবাদী বই বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ধারালো অস্ত্রসহ দুই হুজি সদস্য আটক

`Jhenidah-2-huji-member-arre`

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাত-উল জিহাদের গোপন বৈঠকে ঝিনাইদহ র‌্যাবের অভিযান   জঙ্গিবাদী বই বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ধারালো অস্ত্রসহ দুই হুজি সদস্য আটক ২০১৫ সালে জঙ্গি আবু খালেকের মাধ্যমে যোগ দেয় ঝিনাইদহের রাকিবুল :  নাশকতা প্রস্তুতির  তথ্য র‌্যাবের হাতে   নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় জিহাদি বই ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ দুই যুবককে আটক করেছে র‌্যাব। শনিবার ভোরে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ঝিনাইদহ জেলার রাকিবুল ও রাজবাড়ি জেলার মামুন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাত-উল জিহাদের (হুজি) সদস্য বলে জানায় র‌্যাব। তাদের কাছে থেকে ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। গতকাল বেলা ১২টার দিকে ঝিনাইদহ র‌্যাব ক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঝিনাদহ র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় হুজি সদস্যরা গোপন বৈঠক করছিলো। নাশকতার উদ্দেশ্যে হরকাত-উল জিহাদের (হুজি) ৬/৭ সদস্য ওই বৈঠক করছিলো।  এসময় তাদের কাছে ধারালো অস্ত্র, জঙ্গিবাদী বই, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ছিলো। ঝিনাইদহ র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গায় অভিযান চালায় ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর টহল দল। অভিযানে দুজনকে আটক করা হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। আটককৃতরা হলো, ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও রাজবাড়ি জেলার আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় জিহাদি বই, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও ধারালো অস্ত্র। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গিবাদে যোগদান ও নানা কর্মকা-ের তথ্য মিলেছে বলে মেজর মনিরের দাবি। তিনি আরও জানান, রফিকুল ইসলাম মাদ্রসার ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি মসজিদের ইমামতি করতেন। ২০১৫ সালে আবু খালেক নামে এক বড় ভাইয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। জিহাদের কথা বলে আবু খালেক তাকে জঙ্গি সংগঠন হুজিতে ভেড়ান। তার তত্বাবধানে আটকৃতরা কার্যক্রম পরিচালনা করছিলো। ইতিমধ্যে ঝিনাইদহ ও তার আশপাশ জেলা এবং ঢাকা ও খুলনায় নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পান নিচ্ছিলো। গতকাল শনিবার বেলা ১২টার দিকে ঝিনাইদহ র‌্যাব- ৬ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং্যে এসব তথ্য জানানো হয়। উল্লেখ্য, ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় অংশ নেয়া নিবরাস ইসলামও ঝিনাইদহ সোনালীপাড়ার একটি ছাত্রাবাসে থাকতো। ঘটনার ৪ মাস আগে নিবরাস নিজেকে সাইদ নামে পরিচয় দিয়ে থাকতো। এছাড়া কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত আবির রহমানও ঝিনাইদহে থাকতো। গুলশান হামলায় নিহত নিবরাসের সঙ্গে ওই মেসে এক মাস ছিলেন। তিনি নিবরাস ইসলামের খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে থাকতেন। জঙ্গি আবিরের ছবি দেখে এলাকার যুবকরা এ তথ্য জানান।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী