মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পুতিনকে নিয়ে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন টেরেসা

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০১-২০১৭ ইং
পুতিনকে নিয়ে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন টেরেসা

সমীকরণ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান পার্টিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভস্নাদিমির পুতিনকে নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ফিলাডেলফিয়ায় রিপাবলিকানদের উদ্দেশে এক ভাষণে মে বলেন, 'পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন; তবে সতর্ক থাকুনথ এটাই আমার পরামর্শ।' স্নায়ুযুদ্ধযুগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মে নিজ নিজ অবস্থানে শক্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে ক্রেমলিনের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং এই নীতি ব্যর্থ হলে পশ্চিমাদের ওপর এর প্রভাব পড়ার ব্যাপারেও সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, স্নায়ুযুদ্ধ অবসানে দেশে দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের ধারা অনেকটা স্তিমিত হয়ে এসেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে বৈদেশিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তার করেছে চীন এবং রাশিয়া। রাশিয়ার কথা বলতে গেলে বলতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের দৃষ্টান্ত মেনে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি প্রতিপক্ষ মিখাইল গর্বাচভের সঙ্গে আলোচনার সময় একটি কথা মেনে চলতেন। আর তা হচ্ছে, 'বিশ্বাস কর, কিন্তু যাচাই করে নাও'। মে আরও বলেন, 'রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমাদের সংঘাত বাধার মতো অনিবার্য কোনোকিছু নেই। আবার স্নায়ুযুদ্ধের দিনগুলোতে ফিরে যাওয়ার মতো অবশ্যম্ভাবী কোনো পরিস্থিতিও নেই। কিন্তু আমাদেরকে শক্ত অবস্থানে থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।' এর পরপরই মে তার এবং ট্রাম্পের পূর্বসূরির কিছু নীতির কথা তুলে ধরে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতের সেই ব্যর্থ নীতিগুলোর পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয়। তিনি বলেন, বিশ্বকে নিজেদের ভাবমূর্তির আলোকে পুনর্গঠন করতে গিয়ে সামরিক হস্তক্ষেপের ব্যর্থ নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আর ফিরে যেতে পারে না। ইরাক কিংবা আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো আর অন্য কোনো সার্বভৌম দেশে সামরিক হস্তক্ষেপের সেই পুরনো নীতি ফের না নেয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেন মে। বৈদেশিক নীতিতে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সেসব দিন এখন শেষ। তবে বাস্তবিক কোনো হুমকি দেখা দিলে তা মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের হাত গুটিয়ে বসে থাকা উচিত হবে না। মে বলেন, নতুন এই যুগের জন্য দুই দেশের বিশেষ সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তুলে একসঙ্গে আবার বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে মে এই বক্তব্য দেন। গত ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের পর মে-ই প্রথম কোনো বিশ্বনেতা, যিনি হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন। ওভাল অফিসের বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে মের একটি 'সুদৃঢ় ও ফলপ্রসূ কাজের সম্পর্কের' ভিত গড়ে উঠবে এবং ইইউ-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তিতে আবদ্ধ হতে দুই নেতাই রাজি হবেন বলে আশা করছে যুক্তরাজ্য।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী