দর্শনা অফিস: দর্শনা পশু হাসপাতালের বেহাল দশা। দেখার কেউ নেই। ৪টি পদের মদ্ধ্যে তিনটি রয়েছে শুন্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনাই এলাকাবাসীর দাবি। সরকার যখন বাংলাদেশকে দারিদ্র মুক্ত করতে বিভিন্ন উপায়ে যেমন,ছাগল পালন,হাঁস-মুরগীর খামার,গবাদী পশু পালনে দরিদ্র মানুষদের আগ্রহী করছেন ঠিক সেই সময়ে সরকারি প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের উর্দতন কর্মকর্তাদের অসচেতনা ও অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে পশু হাসপাতাল গুলি ও আগ্রহ হারাচ্ছে পশু পালনকারী মানুষেরা। জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার পশু হাসপাতালটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৪টি পদের মদ্ধ্যে ৩টি পদই যদি শুন্য থাকে তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান আর কতদিন চলবে। কিন্তু এ বিষয়ে উর্ধতন কর্মকর্তাদের এই পশু হাসপাতালটির উপরে কোন নজর নেই। বিভিন্ন সুবিধা থেকে বনচিত হচ্ছে এলাকার গরীব পশু পালনকারীরা। বাধ্য হয়ে যাচ্ছে ভেটেনারী প্রশিক্ষন প্রাপ্ত গ্রাম্য পশু চিকিৎসকের কাছে। এই সুযোগে পশু পালনকারীদের কাছ থেকে গ্রাম্য পশু চিকিৎসকেরা হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এ পশু হাসপাতালে ৪টি পদ রয়েছে যার মদ্ধ্যে একজন ভেটেনারী সার্জন,একজন কম্পাউন্ডার, একজন এফ এ (এআই), একজন ড্রেসার। কিন্তু আশ্চার্য হলেও সত্য শুধুমাত্র কম্পাউন্ডার পদে মোশারফ হোসেন নামে একজন নিযুক্ত রয়েছে।এলাকাসুত্রে জানাযায়,প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন ব্যাক্তি বিভিন্ন কারনে যেমন কৃত্তিম প্রজনন ,ছাগলের ঠান্ডা কাশি বিভিন্ন রকমের ভ্যাক্সিন দিতে আসে। একজন ব্যাক্তি এসকল কাজ করতে অনেক সময় লাগে বলে অনেকে সময় ক্ষেপন না করে চিকিৎসা না নিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে মোশারফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিতি বলেন ৪ জন ব্যাক্তির কাজ একা করা সম্ভব নয়। তারপরও একা একা এতদিন কোন রকম ভাবে হাসপাতালটি চালিয়ে আসছি। আমার এ কষ্ট দেখে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কোটচাদপুর পশু হাসপাতাল থেকে আমিরুল ইসলাম নামের একজন ড্রেসার নিয়ে এসে কাজ করাচ্ছে। এমতবস্তাই দর্শনা পশু হাসপাতাল এর নিকট তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হাসপাতালটি চেনার কোন উপাই নেয়। বাইরে থেকে মনে হয় যেন সরকারী জাইগাই কোন ফ্ল্যাট বাড়ি গড়ে উঠেছে। কারন হাসপাতালটির গায়ে কোনও হাসপাতালের নাম লেখা নেই। ভিতরের দিকে বাউন্ডারির প্রাচীরে নেপিয়ার ঘাস প্রদর্শনী প্লট লেখা তার নিচে ছোট করে প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর লেখা আছে যেটা সহজেই কারও চোখে পড়বে না। এসকল বিষয়ে উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মশিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বললেন আমি প্রত্যেক মাসিক আলোচনায় এই বিষয়টি উত্থাপন করি এবং লিখিত আবেদন করি কিন্তু কোন ফল আসে না। জিগ্গাসা করলেই আমার কর্মকর্তারা বলেন লোক নেই কোথা থেকে দেব। যেভাবে চলে সেভাবে চালাতে হবে। তাহলে কি সরকার দারিদ্র বিমোচন পদক্ষেপ থেকে ব্যার্থ হবে না কি এভাবেই পশু পালনকারীরা আস্তে আস্তেÍ পশু পালনে আগ্রহ হারাবে। এমনটাই চিন্তা করেন সুধিসমাজ ও এলাকাবাসী।
সমীকরণ প্রতিবেদন