কার্পাসডাঙ্গা অফিস: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের বদর উদ্দীনের ছেলে আলমসাধু চালক ছামু গত মঙ্গলবার বিজিবির হাতে ১০০বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক হয়। ছামু ফেন্সিসহ আটক হওয়ায় আলোচনায় উঠে আসে পীরপুরকুল্লা গ্রামের হাসেল মন্ডলের ছেলে ফেন্সিডিলের আসল মালিক গডফাদার কায়জারের নাম। এ সংক্রান্ত বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ ধারাবাহিক প্রকাশিত হলে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলে বলেন তবে কি কায়জার সত্যিই অপ্রতিরোধ্য। তার ক্ষমতার উৎস কোথায়? নাকি সব টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা! বিশস্থ সুত্রে জানা গেছে, ছামু কায়জারের নিজের আলমসাধুর ভাড়ার ড্রাইভার। কায়জার নিয়মিত ফরিদপুর থেকে পেয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন কাচামাল এনে চুয়াডাঙ্গায় বিক্রি করে। গত মঙ্গলবার ও চোরাকারবারী কায়জারের মাল আনতে ফরিদপুরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় আলমসাধু চালক ছামু দামুড়হুদা চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছালে বিজিবি ১০০বোতল ফেন্সিডিলসহ ছামুকে কে আটক করে। তবে ফেন্সি মালিক কায়জার আটক না হওয়ায় ক্ষুব্ধ সচেতন মহল। এলাকাবাসীর অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন গাড়ির মালিক কায়জার, গাড়িতে রাখা মাল কায়জারের, যাচ্ছিল কায়জারেরই মাল আনতে সব কায়জারের আর ফেন্সিডিল কায়জারের না! তবে কায়জারের বাড়িতে রাখা নিজের আলমসাধুতে কায়জার ছাড়া ফেন্সিডিল কে রাখতে পারে? ১০০ বোতল ফেন্সিডিল কারো চোখে পড়লো না বিজিবি ছাড়া! আর কায়জার যদি সাধু হবে তবে কেন আনুমানিক আট মাস পূর্বেও ঠাকুরপুর বিজিবি কায়জারকে ধরে চালান দিলো? একজন চোরাকারবারী এক সময়ের সীমান্তের দালালদের গডফাদার মাদকব্যাবসায়ী কায়জার সাধু হয় কি করে নাকি সবই ক্ষমতার দাপট আর কালো টাকার কারিশমা। তবে কায়জারের গোমর ফাঁস হলে কায়জার নিজেকে বাঁচাতে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজের জন্য বিভিন্ন মহলে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছে। কায়জারকে আইনের আওতায় আনতে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তবে সচতুর কায়জার ফেন্সিডিল তার না দাবী করে নিজেকে সাধু বানানোর চেষ্টায় মত্ত রয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন