নিজস্ব প্রতিবেদক: দুই বিচারপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি হোতা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের তিতুদহ গ্রামের মৃত লতিফের পুত্র শুকুর আলীকে গত শুক্রবার রাত সোয়া ১টায় নিজ বাসভবন থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করে চুয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ। এ বিষয়ে গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত সকল স্থানীয় পত্রিকাসহ জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু প্রত্যেক পত্রিকায় শুকুর তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নামে প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে তিতুদহ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদের নেতাকর্মীরা ফুসে উঠে তার দলীয় পদ পরিচয় নিয়ে। তিতুদহ আওয়ামী লীগের সভাপতি খবির বিশ্বাস ও ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান লিখিত অভিযোগ দিয়ে সমীকরণকে জানান, আমি একজন আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে আজও জানতাম না তার পদবী। তিনি নাকি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক? কিন্তু বর্তমান তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন এবং মোজাম্মেল হক। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন মাষ্টার জানান, ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের কোন রাজনৈতিক/দলীয় খাতায় তার কোনো পদ নেই। এবিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক বলেন, শুকুর ঐতিহ্যবাহী গড়াইটুপি মেটেরি মেলার স্বাক্ষর জালিয়াতি ছাড়াও এলাকার অনেক জালিয়াতির অভিযোগ আছে তার নামে। এ দিকে গতকাল সোমবার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিতুদহ এলাকা জুড়ে বিভিন্ন বাজারে শুকুরের পদ নিয়ে চলতে থাকে খোশ আলোচনা-সমালোচনা।
সমীকরণ প্রতিবেদন