মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ আসামী অজ্ঞাতনামা

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৪-২০১৮ ইং
সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ আসামী অজ্ঞাতনামা
আলমডাঙ্গা গড়চাপড়ার পূর্বপাড়ায় বাবু হত্যাকান্ডের ঘটনায় স্ত্রীর মামলা নিজস্ব প্রতিবেদক/আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের গড়চাপড়ার পূর্বপাড়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নৃঃশংস ভাবে হত্যার শিকার বাবর আলী ওরফে বাবুর স্ত্রী মমতাজ বেগম বাদী হয়ে সন্দেহভাজন কয়েক জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের নামে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করেছেন। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার যথেষ্ট কারণ ও প্রমাণ সাপেক্ষে গড়চাপড়া গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে সোহেলকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় আর কাউকে গ্রেফতার না করতে পারলেও লাশ উদ্ধারের পর থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতি ঘন্টায় এক’দুজনকে আটক করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও অভিযুক্তদের ধরতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের চায়ের দোকান থেকে চা পান করে বাড়ি ফেরার পথে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয় আলমডাঙ্গার গড়চাপড়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে বাবুকে। রাতেই বাবুর স্ত্রী মমতাজের নিকট খবর যায় বাবুকে কে বা কারা কুপিয়ে হত্যা করেছে। তার পরই এলাকাজুড়ে খবর ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন সৃষ্টির মাঝেই চুয়াডাঙ্গা গোয়েন্দা পুলিশ ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের নিকট বাবু হত্যার খবর গেলে গড়চাপড়া রোয়াকুলী মাঠের মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে কোন খোজ পায়নি তারা। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে গড়চাপড়া গ্রামের বৃদ্ধ উজির শাহের ভাঙ্গা বাড়ি/কুঁড়েঘর থেকে ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে নিজ এলাকার কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই সোহেল নামের এক জনকে আটক করা হয়। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান ফখরুল আলম বলেন, গড়চাপড়ার বাবু হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী মমতাজ বেগম সন্দেহভাজন কয়েক জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের নামে মামলা করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সোহেল নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যার সাথে জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যহত আছে। মামলার প্রয়োজনে স্থানীয়দের থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে আবার মুক্তিও দেয়া হচ্ছে। হয়রানি নয়; হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও অভিযুক্তদের ধরতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। শিঘ্রই মূল অভিযুক্তরা পুলিশের হাতে ধরা পড়বে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী