শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
বেফাক-এর ৪৭তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফলে ২৭ জন ছাত্রের সাফল্য

টানা পঞ্চমবারের মতো চুয়াডাঙ্গায় শ্রেষ্ঠ পাঁচকমলাপুর মাদ্রাসা

  • আপলোড তারিখঃ ১৯-০৩-২০২৬ ইং
টানা পঞ্চমবারের মতো চুয়াডাঙ্গায় শ্রেষ্ঠ পাঁচকমলাপুর মাদ্রাসা

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক)-এর ৪৭তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফলে অভুতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচকমলাপুরস্থ হাজী শামসুজ্জোহা জামি’আ আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বেফাক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় ফলাফল ঘোষণা করেন বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। এবারের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সারা বাংলাদেশের ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ২৭ জন ছাত্র ‘মুমতাজ’ (অ+) পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এর মধ্যে ১২ জন ছাত্র জাতীয় মেধাতালিকায় স্থান লাভ করে চুয়াডাঙ্গা জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে। এই ঈর্ষণীয় ফলাফলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি টানা পঞ্চম বারের মতো চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম হয়ে শীর্ষ স্থান ধরে রাখলো।


এই অনন্য সাফল্যের পর মাদ্রাসার শিক্ষা পরিষদ ও দপ্তরে এহতেমাম বিভাগের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করা হয়েছে। একই সাথে মাদ্রাসার বর্তমান পরিচালক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক সাহেবের সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সার্বিক তত্ত্বাবধানের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের এই সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।


চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক, এক সময়ের সাংবাদিক ও বর্তমান বিশিষ্ট প্রবাসী ব্যবসায়ী আরিফুজ্জামান আরিফ ও দৈনিক সময়ের সমীকরণের প্রকাশক-সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের পিতা মরহুম শামসুজ্জোহা বিশ্বাস একটি সুন্দর দ্বীনি শিক্ষার ভাবনা নিয়ে ২০০১ সালে মাত্র ১৩ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক নিয়ে একটি চালাঘরে আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের পাঁচকমলাপুর গ্রামে ‘পাঁচকমলাপুর দারুল উলুম কওমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা’ নামে দ্বীনি শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন।


২০১০ সালে হাজী শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের মৃত্যুর পর এই মাদ্রাসাটির পরিচালকের দায়িত্ব নেন তাঁর পুত্র সাহিদুজ্জামান টরিক। একজন সুযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে পিতার সুস্বপ্নকে আন্তরিকতা, ভালোবাসা, মেধা ও শ্রম দিয়ে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। মাদ্রাসাটি পরিচালনার জন্য সাহিদুজ্জামান টরিক চুয়াডাঙ্গায় তিন তারকা মানের হোটেল সাহিদ প্যালেস অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ করেছেন। সেখানে থেকে আয়কৃত সম্পূর্ণ অর্থ এ মাদ্রাসা কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মাদ্রাসাটিতে ছাত্রদের জন্য লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। যেখানে তিন বেলা মাদ্রাসার সকল ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।



কমেন্ট বক্স
notebook

আলমডাঙ্গা পাইলট স্কুলের ৮০ দশকের বন্ধু সমিতির ইফতার