মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

গণহত্যা দিবস এবং মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনে চুয়াডাঙ্গায় প্রস্তুতি সভা

ব্ল্যাকআউট, কুচকাওয়াজ, ম্যারাথনসহ নানা আয়োজনের সিদ্ধান্ত
  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০৩-২০২৬ ইং
গণহত্যা দিবস এবং মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনে চুয়াডাঙ্গায় প্রস্তুতি সভা

২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ এবং ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস’ উদ্যাপন উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। সভায় ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ এবং ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি পাঠ করে শোনান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।


এসময় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘এই বিশেষ দিনগুলোর তাৎপর্য আমাদের আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দিনগুলোর জন্য আলাদা সেমিনার ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক শিক্ষার্থী এই দিনগুলোর সম্পর্কে যথাযথ ধারণা রাখে না। আমাদের এই দিনগুলোর কর্মসূচির ভেতরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কারিকুলামের বিষয় উল্লেখ আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এবার আমরা আমাদের কর্মসূচির ভেতরে নতুন দুটি কর্মসূচি যোগ করতে চাই। একটি হলো ম্যারাথন দৌঁড় এবং চুয়াডাঙ্গা পরিষ্কার অভিযান। চুয়াডাঙ্গা পরিষ্কার অভিযানে পৌরসভা সকল সার্বিক সহযোগিতা করবে এবং সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ আমরা সকলে মিলে চুয়াডাঙ্গা পরিষ্কার অভিযানে নামবো।’


সভায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত প্রতীকী ব্লাক আউট, সুবিধাজনক সময়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিভিন্ন পতাকা এবং ফেস্টুন দিয়ে সড়ক সজ্জিত করা। ৩১ বার তোপধ্বনি মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ৮.৩০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ। বেলা ১১টায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন। ২০-২৫ মার্চের মধ্যে শিক্ষার্থীদের রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আলোচনা সভা। সুবিধাজনক সময়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনা। জেলখানা, হাসপাতাল, শিশু পরিবারে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন। শিশুদের জন্য বিনোদন স্থান সমূহ খুলে দেওয়া এবং বিনা টিকিটে প্রবেশ। ১-২৬ মার্চ ক্রিকেট, ফুটবল, হাডুডু, কাবাডি খেলার আয়োজনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আমির রুহুল আমিন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত আরাসহ তিন উপজেলার নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দসহ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

দর্শনায় ঈদ কেনাকাটায় প্রাণচাঞ্চল্য, জমজমাট মার্কেটগুলো