রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উদ্‌যাপন

  • আপলোড তারিখঃ ০১-০৩-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উদ্‌যাপন

চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির ৭০তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। ‘ডায়াবেটিসকে জানুন, ব্যবস্থা নিন’ প্রতিপাদ্যে চুয়াডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চুয়াডাঙ্গা ডায়াবেটিক হাসপাতাল থেকে একটি বর্ণাঢ্য ব্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল রোড প্রদক্ষিণ শেষে আবার ডায়াবেটিক হাসপাতালে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে ডায়াবেটিক হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ডায়াবেটিক হাসপাতালের নিচতলায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়।


অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. আব্দুলাহ আল নোমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউর করীম মুকুট। তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালে আমরা জানলাম ডায়াবেটিকস এর ব্যাপারে। তার আগে সবাই এটিকে বহুমূত্র রোগ নামেই চিনত। বার্ডেমে এত বড় এবং অত্যাধুনিক শয্যায় সজ্জিত বড় ডায়াবেটিক হাসপাতাল এশিয়া মহাদেশে আর নেই। এর অবদান একমাত্র ইব্রাহিম স্যারের। আজকে জাতি তার কাছে কৃতজ্ঞ, আমরাও তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি’।


তিনি আরও বলেন, ‘তিনি এই রকম একটা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় এখন ডায়াবেটিস হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আশা করি আমাদের ডাক্তার এবং পুষ্টিবিদ যা বলে গেলেন, আপনারা ডাক্তারের কাছে এখানে আসবেন, প্রতিনিয়ত চিকিৎসা নিবেন এবং পুষ্টিবিদের কাছে যাবেন। ডাক্তার ঔষধ দেবেন এবং আপনাদের কি খেতে হবে তা একজন পুষ্টিবিদ জানেন। আপনাদের জন্যই আমরা এখানে একজন পুষ্টিবিদ নিয়োগ দিয়েছি। তার কাছে না গেলে আপনাদের সামগ্রিক সুস্থতা আসবেনা’।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির সদস্য মাহফুজুর রহমান মনা, ডা. নাহিদ ফাতিমা রত্না, পুষ্টিবিদ আতিকা মল্লিক আখীসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও রোগী ।



কমেন্ট বক্স
notebook

লিটু নামে শৈলকুপার বারইপাড়ার সেই ছেলেটি এখন আইনমন্ত্রী