ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আমির মো. রুহুল আমিনের শেষ নির্বাচনী গণমিছিল ও জনসভা জীবননগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে ৪টার দিকে শহরের হাইস্কুল মাঠ থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়।
এর আগে বেলা ৩টা থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন, দলীয় প্রতীকের পতাকা নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে মাঠে জড়ো হন। গণমিছিল শুরুর আগে সেখানে আসরের নামাজ আদায় করা হয়। নামাজে ইমামতি করেন উপজেলা আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান। হাইস্কুল মাঠ থেকে বের হয়ে গণমিছিলটি জীবননগর স্টেডিয়াম মাঠে সমাবেশে পরিণত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, রাজনীতির উদ্দেশ্য ক্ষমতা নয়-জনগণের সেবা। মানুষের অধিকার রক্ষা, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করাই আমার অঙ্গীকার। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, কৃষি, উন্নয়ন ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’ তিনি দলমত নির্বিশেষে শান্তি-শৃঙ্খলাভিত্তিক সমাজ গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম শাহজাহান কবির, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদউদ্দীন, এনসিপির জেলা সভাপতি খাজা আমিরুল বাশার বিপ্লব, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি সাগর আহমেদ, খেলাফত মজলিশের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জোবায়ের আহম্মদ খান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা ইসরাইল হোসেন, মাওলানা হাফিজুর রহমান, নায়েবে আমির বেলাল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা সেক্রেটারি মাফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাজেদুর রহমান লিটন, শ্রমিক কল্যাণের সভাপতি কামাল হোসেন প্রমুখ।
জীবননগর অফিস