সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় আসন্ন গণভোট বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ

গণভোটে জনমত গঠনে ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান
  • আপলোড তারিখঃ ০৬-০২-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় আসন্ন গণভোট বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ

‘দেশ মেরামতের সুযোগ এখন আপনারই হাতে’- স্লোগানে চুয়াডাঙ্গায় আসন্ন গণভোট বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের (জেলা মডেল মসজিদ) মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সংলাপে মুসলিম, সনাতন ও খ্রিষ্ট ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ মোট ৪০ জন ধর্মীয় প্রতিনিধি অংশ নেন।


সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সভাপতি প্রফেসর মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলার উপ-পরিচালক এ কে এম শাহীন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজনের ডিস্ট্রিক ফ্যাসিলিটেটর ও সাংবাদিক মেহেরাব্বিন সানভী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গার ফিল্ড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জেলা মডেল মসজিদের ইমাম মিনারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুজনের ক্যাম্পেইন ফ্যাসিলিটেটর সৌম্যজিতা শ্রুতি।


সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর মো. সিদ্দিকুর রহমান রাষ্ট্র সংস্কারে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘একটি আদর্শ ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে ধর্মের নৈতিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। দেশ মেরামতের যে সুযোগ আজ আমাদের সামনে এসেছে, তা কাজে লাগাতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। আসন্ন ২০২৬ সালের গণভোট কেবল একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর অন্যতম মাধ্যম। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজের আলোকবর্তিকা; আপনারা যদি সাধারণ মানুষকে এই নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করেন, তবেই একটি স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। আমরা চাই এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি মানুষের ভোটাধিকার এবং মর্যাদা সুরক্ষিত থাকবে।’


প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কে এম শাহীন কবির বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। সংলাপে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য বক্তারাও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি জানান এবং আগামী ২০২৬ সালের সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সক্রিয় জনমত গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী