সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

সেনা হেফাজতে মৃত্যুর পর ডাবলুর পরিবারের পাশে সিআইপি সাহিদুজ্জামান টরিক

শোকাহত পরিবারকে জানালেন সহমর্মিতা, পাশে থাকার অঙ্গীকার
  • আপলোড তারিখঃ ১৫-০১-২০২৬ ইং
সেনা হেফাজতে মৃত্যুর পর ডাবলুর পরিবারের পাশে সিআইপি সাহিদুজ্জামান টরিক

জীবননগর পৌরসভার বসুতি পাড়ার সেই বাড়িটিতে এখন শুধু নীরবতা আর দীর্ঘশ্বাস। ঘরের কোণে পড়ে আছে শোক, উঠানে জমে আছে অশ্রু। সেনা হেফাজতে মৃত্যু হওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়- একটি জনপদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। নেতা, সংগঠক ও সমাজের পরিচিত মুখ ডাবলুর অনুপস্থিতি যেন প্রতিটি ঘরে শূন্যতা তৈরি করেছে।


গতকাল বুধবার জানাজা শেষে মরহুম ডাবলুর সেই শোকাহত বাড়িতেই ছুটে যান বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুর (বিডিচ্যাম)-এর প্রেসিডেন্ট, সাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চুয়াডাঙ্গার কৃতী ব্যবসায়ী সিআইপি সাহিদুজ্জামান টরিক। কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, শুধু একজন মানুষের আরেক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক প্রয়াস। ডাবলুর স্ত্রী, তিন সন্তান এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কাঁপা কণ্ঠে শোক প্রকাশ করেন, নীরবে শোনেন পরিবারের না বলা কষ্টের কথা।
শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে আবেগভরা কণ্ঠে সিআইপি সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা নেই। যিনি হারান, তিনিই বোঝেন এই দুঃখের গভীরতা। আমরা সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যারাকে নেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন আশ্বাস আমরা পেয়েছি। আমরা আশা করি, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।’ এসময় তিনি শামসুজ্জামান ডাবলুর পরিবারের সদস্যদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।


তাঁর কথায় ভর করে কিছুটা হলেও সাহস ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেন ডাবলুর পরিবারের সদস্যরা। স্বামী হারানো এক নারীর শূন্য চোখে তখন শুধু প্রশ্ন- এই বিচার কি আদৌ দ্রুত আসবে? বাবাহারা তিন সন্তানের নীরব মুখে জমে থাকা কষ্ট যেন কোনো ভাষায় ধরা পড়ে না। ডাবলু ছিলেন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী। দলীয় কর্মকাণ্ডের বাইরে সামাজিক ও মানবিক নানা কাজে তিনি ছিলেন সক্রিয়। ফলে তার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে পুরো জীবননগরজুড়ে। জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিই তার প্রমাণ।


এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সময়রের সমীকরণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন, সুমন পারভেজ খানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারাও শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী