অনিয়মের সাথে জড়িত সার ডিলারদের সার ও বীজ ডিলার লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এ কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। সভায় কৃষকদের বেশি পরিমাণ সার ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেয়া হয়। সেই সাথে কৃত্রিম সার সংকট দেখানো বন্ধে সার ডিলারদের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। এছাড়া কৃষকদের মাঝে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ করার জন্য জেলা প্রশাসক নির্দেশনা দেন।
সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রতি কেজি সারে সরকার ভর্তুকি দেয়। এক কেজি ডিএপি সারে সরকার ৮৪ টাকা ভর্তুকি দেয়। কৃষকরা না বুঝে জমিতে বেশি পরিমাণ সার প্রয়োগ করে, এটি জমি ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। প্রত্যেক ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিকট থেকে ভালোভাবে কৃষকরা বুঝে জমিতে সার প্রয়োগ করবেন। সার ডিলারদের মনে রাখতে হবে যে, অতিরিক্ত লাভের জন্য অধিক পরিমাণে সার কৃষকের নিকট বিক্রি করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, কেউ সার অবৈধভাবে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। চোরাইভাবে সার বিক্রি করলে ওই ডিলার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকে জেলে দেওয়া হবে।
সভায় সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারিকুজ্জামান, কুষ্টিয়া বিএডিসি অফিসের যুগ্ম পরিচালক (সার) উসমান গণি, উপ-পরিচালক (বীজ) আশরাফুল আলম, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান পলাশ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা বীজ প্রত্যায়ন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিম, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আকবার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি বীজ ও সার ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক