বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-১০-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের সিএ্যান্ডবি পাড়ায় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ইজিবাইক চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। নিহত রফিকুল ইসলাম সিঅ্যান্ডবি মাঠপাড়ার ওহাব আলীর ছেলে। এদিকে, গতকালই ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। রাত ১০টায় সিঅ্যান্ডাব উত্তরপাড়া কবরস্থানে রফিকুল ইসলামের দাফনকার্য সম্পন্ন হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সার্কিট হাউস সংলগ্ন ছোট ভাইয়ের বাঁশ ও স্যানেটারি সামগ্রীর দোকানের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় রফিকুলের মরদেহ পাওয়া যায়। দুপুর ১২টার দিকে রফিকুলের স্ত্রী পাখি স্বামীর খোঁজ নিতে দোকানে যান। তিনি স্থানীয় এক কিশোরকে ভেতরে দেখতে পাঠালে কিশোরটি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করে ওঠে। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং পুলিশে খবর দেয়। এদিকে, পরিবারের দাবি বুধবার দুপুরের পর থেকে রফিকুলের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না।


স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন আলি বলেন, ‘রফিকুল নেশাগ্রস্ত ছিল। পরিবারের সঙ্গে প্রায়ই তার ঝগড়া-বিবাদ হতো।’ অপর বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম জানান, ‘রফিকুল বেশ কিছু দিন ধরে ঋণগ্রস্ত ছিল। এ নিয়ে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলো। নেশা করায় তাকে কেউ ইজিবাইক ভাড়া দিতেও চাচ্ছিলো না। আমাদের ধারণা মাদকই তার আত্মহত্যার কারণ।’


রফিকুলের দুই ছেলে বাদশা মিয়া ও সাহেব আলী বলেন, ‘কারো সঙ্গে বাবার কোনো ঝামেলা ছিল না, তবে বাড়িতে সাংসারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকতো। দুইটা এনজিও থেকে বাবা এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলো। ঋণের টাকা নিয়ে বাবা কিছুটা চিন্তায় থাকতো, যদিও আমরা দুই ভাই কাজ করে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছিলাম। আমরা কখনো ভাবিনি বাবা এভাবে মারা যাবে। কেন মারা গেল তাও বুঝতে পারছি না।’


চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতে ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’