সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় বিএডিসি সার ডিলার নিয়োগে অযোগ্যদের সুপারিশ

ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ, তদন্তের অপেক্ষায় প্রশাসন
  • আপলোড তারিখঃ ০১-১০-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় বিএডিসি সার ডিলার নিয়োগে অযোগ্যদের সুপারিশ

চুয়াডাঙ্গায় বিএডিসি সার ডিলার নিয়োগে দুইজন অযোগ্য প্রার্থীর নাম সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন নীতিমালা অনুমোদনের আগেই সদর উপজেলায় তড়িঘড়ি করে দুটি বিএডিসি সার ডিলার নিয়োগের চেষ্টা চলছে। তবে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব জানিয়েছেন, এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। উপজেলা পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন বিএডিসি বীজ ডিলার হতে বিএডিসি সার ডিলার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য যুগ্ম-পরিচালক (সার) বিএডিসি কুষ্টিয়া অঞ্চল কার্যালয় থেকে প্রেরিত ৬টি আবেদন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আবেদনগুলো উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করে দেখা হবে। এরই মধ্যে সদর উপজেলার দুটি আবেদন নিয়ে ডিলারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ।
অভিযোগ উঠেছে, আবেদনকারী সাইদুর রহমান মিলটনের পিতা আজীবার রহমান স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। মিলটন ডিঙ্গেদহ বাজারে খেজুরা রোডে একটি ভাড়ার দোকানে কীটনাশক বিক্রি করেন। যদিও আবেদনে তিনি ভান্ডারদোয়া ঠিকানা ব্যবহার করেছেন, সেখানে তার নামে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। এ কারণে তাকে ডিলার হওয়ার যোগ্য হিসেবে গণ্য করা যায় না।


অন্যদিকে, মারুফ সিদ্দিকী নামের আবেদনকারীর পিতা আনোয়ার হোসেন ইতোমধ্যেই বিসিআইসি ও বিএডিসির দুটি ডিলারশীপ পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের পরিবার বর্তমানে তিনটি বিসিআইসি ও তিনটি বিএডিসি ডিলারশীপ পরিচালনা করছে। তারপরও আনোয়ার হাজির ছেলে মারুফ সিদ্দিকী ওরফে সাকিবকে নতুন করে বিএডিসি সার ডিলার করার তৎপরতা চলছে।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ডিলার বলেন, ‘আনোয়ার হাজির ছেলে এবং মিল্টনের ডিলারশীপ করিয়ে দিতে সরকারি কর্মকর্তাদের চাপ দেয়া হচ্ছে। অথচ নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এক পরিবারের একাধিক ডিলার রাখা যাবে না। তাছাড়া মিল্টনের দোকানও নেই উল্লিখিত এলাকায়। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কী সিদ্ধান্ত নেয়।’


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি শুধু রেজুলেশন পেয়েছি। এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে আসেনি। চিঠির ভাষা অনুযায়ী রিপোর্ট দেয়া হয়। অনেক সময় সরেজমিন রিপোর্ট চাইলে তা করা হয়। আমি সভায় বলেছিলাম, নেহালপুর ও মাখালডাঙ্গায় বিএডিসির ডিলার কম। কিন্তু যেখানে আবেদন করা হয়েছে, সেখানে না হলেই ভালো। আমিও শুনেছি, মিল্টনের যেখানে ঠিকানা দেয়া আছে, সেখানে দোকান নেই।’


জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে তদন্তের জন্য আবেদন পাঠানো হয়েছে। তারা প্রতিবেদন দিলে তা বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা কমিটি এখনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে সুপারিশ করেনি। শুধু কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রেরিত আবেদনগুলো এসেছে।’



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী