চুয়াডাঙ্গার তেঘরী উত্তরপাড়ায় সরকারি কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইটের রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মৌসুমি আক্তারের বিরুদ্ধে। গত বুধবার দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এ অনিয়ম নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর জেলায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা। এরপর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে মাঠে নামে।
জানা গেছে, বিগত কয়েকদিন ধরে তেঘরী উত্তরপাড়া ও মালোপাড়ায় রাস্তার নির্মাণ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। শেষমেশ স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীকে ম্যানেজ করে কাজ শেষ করা হলেও বিষয়টি পৌঁছে যায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম সাইফুল্লাহ আজিজের নজরে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে গতকাল দুপুরে সরেজমিনে তদন্তে যান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাস্তার নির্মাণে ব্যবহৃত ইট খুবই নিম্নমানের, যা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি জানান, সদর ইউএনও’র নির্দেশে শাস্তিস্বরূপ ২০ ফিট রাস্তা অতিরিক্ত নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে অভিযুক্ত পিআইসি সদস্য মৌসুমি আক্তার বলেন, ‘পুরো ইট খারাপ নয়। তবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেহেতু ২০ ফিট রাস্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন, সেটা করা হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ আমি ব্যক্তিগতভাবে বহন করব।’