মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

২০১৮ সালের নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৮২ পুলিশ কর্মকর্তা ওএসডি

  • আপলোড তারিখঃ ২৬-০২-২০২৫ ইং
২০১৮ সালের নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৮২ পুলিশ কর্মকর্তা ওএসডি

২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা এক অতিরিক্ত আইজিপিসহ ৮২ পুলিশ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত আইজিপি আবদুল আলীম মাহমুদ এবং ১৩ জন ডিআইজি, ৪৯ জন অতিরিক্ত ডিআইজি ও ১৯ জন পুলিশ সুপার পদের কর্মকর্তা রয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক তিনটি আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে ওএসডির কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ওএসডি হওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (বর্তমান ডিআইজি) মাহবুবুর রহমান ও রশীদুল হাসান, ডিআইজি মোস্তাক আহমেদ খান, শাহ মিজান শাফিউর রহমান, শামসুন্নাহার, আসমা সিদ্দিকা মিলি, শাহ আবিদ হোসেন, জয়দেব চেীধুরী, নুরে আলম মিনা, এসপি কাজী আশরাফুল আজিম, ডিআইজি ইলিয়াছ শরিফ, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বরকত উল্লাহ, টুটুল চক্রবর্তী ও বিজয় বশাস।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানায়, এই ৮২ জন কর্মকর্তা ২০১৮ সালের বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওএসডি মূলত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যত দায়িত্বহীন করে দেয়া। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে কোনো কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হলে তা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবেই ধরা হয়। যদিও সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, এটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ। গত কয়েক বছরে পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল লক্ষ্য করা গেছে।

বিশেষত, সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে একাধিকবার পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওএসডি বা বদলি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হননি। এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ ও র‌্যাবের হয়ে দায়িত্ব পালন করা ১০৩ কর্মকর্তার পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। পুলিশের সাবেক আজিপি বেনজির আহমেদ, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়ার পাশাপাশি এক সময় র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার নামও রয়েছে এই তালিকায়। ২০১৮ সালে এসব পুলিশ কর্মকর্তারা ভোটের আগের রাতেই সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ী করার সাথে জড়িত।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী