নানা আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ জেলা এবং উপজেলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বুধবার ১লা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের গৌরব, ঐতিহ্য, আত্মত্যাগ ও অগ্রযাত্রার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা, সকল উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল বুধবার দিনের শুরুতে সকাল সাড়ে নয়টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির আকাশ, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাজেদুল আলম মেহেদী, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব সাইমুম আরাফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক রকিবুল হাসানসহ অন্যান্যরা।

পরে বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ থেকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে। র্যালিতে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ। তার উপস্থিতিতে র্যালিটি সুশৃঙ্খলভাবে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শহিদ হাসান চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহাজান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি তৌফিক এলাহী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীব মামুন, সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল আরেফিন কিরন, আমান উল্লাহ আমান, আরিফ আহমেদ শিপ্লব, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ রানা, সদস্যসচিব মাজেদুল আলম মেহেদী, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, সদস্যসচিব মাহবুবুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফয়সাল ইকবাল ও সদস্যসচিব সাইমুম আরাফাত।
সভায় বক্তারা বলেন, আগামীতে দেশের যে কোনো প্রয়োজনে যেমন অগ্রগামী থাকবে ছাত্রদল, তেমনি সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হয়ে রাজপথেও থাকবে নেতা-কর্মীরা।

র্যালি শেষে সাহিত্য পরিষদ চত্বরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ। রক্তদান করেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি তৌফিক এলাহী, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান প্রমুখ। র্যালি ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি শেখ সাহাবাজ সুজন, হুমায়ূন কবির আকাশ, এম এ মক্কি, মীর শুভ জামান, সাহাবুদ্দিন আহমেদ বুদ্দীন, শাহাবুদ্দীন আহমেদ, আশিকুর রহমান, তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, যুগ্ম সম্পাদক আবাবিল হোসেন সাদ্দাম, একরামুল হক, আহাদ আলী রাজা, সাইমুজ্জামাসহ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বিজন, রমজান আলী, শাহাজান আলী সান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিক আহমেদ ইরান, শহিদ বিশ্বাস, রাশিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক বিক্রম সাদিক মিলন, আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়ছার আহমেদ জীবন, স্কুলবিষয়ক সম্পাদক সাইমুম আহমেদ শান্ত, যোগাযোগ সম্পাদক সৌরভ আরেফিন শাওন, সহযোগাযোগ সম্পাদক নাজমুল হোসাইনসহ উপজেলা, পৌর, কলেজ, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলমডাঙ্গা উপজেলা, পৌর ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সকাল ৯টায় দলীয় পতাকা উত্তোলন, দুপুর ১২টায় সমাবেশ ও পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শুভর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আল ইমরান রাসেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিয়াল মাহমুদ সাদ্দাম।
প্রধান অতিথি বলেন, ‘লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে আমাদের জাতি গোষ্ঠীর গৌরব গাঁথা অর্জন ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪। এই গর্বিত অর্জনে অগ্রণী ভূমিকায় ছিল দেশের ছাত্র সমাজ। তাদের এবং জাতির সকল স্তরের বীর সন্তানদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সকল অর্জন সমুন্নত রেখে তার সাথে সংগতিপূর্ণ জনআকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের। ‘শিক্ষা-ঐক্য-প্রগতি’ এই মূলমন্ত্র নিয়ে ১৯৭৯ সালের পহেলা জানুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা করেন।’
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, মাহবুব হাসান মাবুদ, বকুল হোসেন, শাহাবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম টগর, জীবন আহমেদ, রতন আলী, ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ইমন আলী সাধারণ সম্পাদক আসিফ হুদা।
অন্যদিকে, দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। গতকাল সকাল ১০টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা কর হয়। হাউলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক হোসাইন বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, সহসভাপতি মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মালেক রুস্তমসহ হাউলী ইউনিয়ন ছাত্রলের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তানজিল হাসান তামিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মল্লিক।

এদিকে, দর্শনায় ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় দর্শনা কলেজ মাঠ থেকে এ র্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর গেঞ্জি বিতরণ করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা। এরপর দর্শনা কলেজ, দর্শনা পৌর ও থানা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা দর্শনা কলেজ আঙ্গিনায় একত্রিত্ব হয়ে র্যালি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, দর্শনা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক সাফায়েত জামান পাপ্পু, থানা ছাত্রদলের সভাপতি লিওয়ন ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন। র্যালিটি দর্শনা কলেজ চত্বর থেকে বের হয়ে দর্শনা শহর প্রদক্ষিণ করে দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। এদিকে, ছাত্রদলের পৃথক একটি একটি র্যালি বের হয়ে দর্শনা মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
এছাড়া জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। গতকাল বুধবার রাত ১০টায় আন্দুলবাড়ীয়াস্থ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন খোকনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তৌফিক আহমেদ পল্লব খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সাইদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহমতুল্লাহ, ছাত্রদল নেতা পারভেজ, লিখন, সোহান খানসহ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহমতুল্লাহ।
অপরদিকে, ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সকালে মেহেরপুর কলেজ মাঠে জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে করে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আরম্ভ হয়। পরে মেহেরপুর সরকারি কলেজ মাঠ থেকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে শেষ হয়। এসময় র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল সহসভাপতি নাহিদ মাহবুব সানি, জুয়েল রানা, যুগ্ম সম্পাদক আমির হাসান হিমেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন হোসেন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজির আহমেদ, গাংনী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রিপন হোসেন, গাংনী পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক জুয়েল রানা, সদস্য সচিব শিশির আহমেদ সাকিল, মেহেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফাহিম আহনাফ লিংকন, মুজিবনগর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আজিজুর রহমান আফিরুল প্রমুখ।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাভেদ মাসুদ মিল্টন, সদস্য সচিব অ্যাড. কামরুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম, ফয়েজ মোহাম্মদ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি আনছা-উল-হক, সাবেক সহ সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফি, সাবেক সহ সভাপতি এম এ কে খাইরুল বাশার। এছাড়াও জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাউসার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মিন্টু, জেলা জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম মনিসহ জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে ঝিনাইদহে ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল সকালে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ও পৌরসভার পাড়া-মহল্লা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শহরে সমবেত হয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে উজির আলী স্কুলমাঠ থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি নেতা সাজেদুর রহমান পাপপু, অ্যাড. মুন্সি কামাল আজাদ পাননু, আব্দুল মজিদ বিশ^াস, আলমগীর হোসেন, যুবদল নেতা আশরাফুল ইসলাম পিণ্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোমেনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, ছাত্রনেতা বখতিয়ার মাহমুদ, আব্দুস সালাম ও সাবেক ছাত্র নেতা আরিফুল ইসলাম আনন প্রমুখ।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ তার বক্তৃতায় বলেন, ‘ছাত্রদল বাংলাদেশের ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের নেতারা আকতরে জীবন দিয়ে তারা দেশপ্রেমের প্রমাণ দিয়েছে।’
সমীকরণ প্রতিবেদন