আলমডাঙ্গা পৌর জামায়াতের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির রুহুল আমীন বলেছেন, ‘টাকার জন্য জামায়াত রাজনীতি করে না। জামায়াত কর্মীরা লাখো পতি কিংবা কোটি পতি নয়, তারপরও তারা টাকায় বিক্রি হয় না। জামায়াত কর্মীদের সমাবেশে যেতে টাকা লাগে না। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের আগেও ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী জামায়াতকে দুবার নিষিদ্ধ করেছিল। ১৬ বছরে জামায়াত যেভাবে জুলুমের শিকার হয়েছে, অন্য দল হলে তাদের নাম-নিশানা খুঁজে পাওয়া যেত না।’ গতকাল শনিবার বেলা ৩টায় আলমডাঙ্গা পৌর ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হাফেজ মাওলানা হানিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা আমির আরও বলেন, ‘শত নির্যাতনে জামায়াত কখনো কারো প্রতিশোধ নেয়নি। জনগণ জামায়াতকে ক্ষমতা দিলে জামায়াত দেশ ও জাতি গঠনে আত্মনিয়োগ করবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কী করবে, সেটা সাধারণ জনগণকে বোঝাতে হবে। অনেকে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে মেয়েদের ঘর থেকে বের হতে দেবে না। এ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের মা- বোনও মহিলা। জামায়াত রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে মানুষের কাজ থাকবে, চাকরির জন্য ভিটে-বাড়ি বিক্রি করে চাকরি নিতে হবে না। জামায়াত সাধারণ মানুষের কথা বলে।’
তিনি বলেন, ‘পতিত সরকার মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাজা রক্তে দেশ থেকে সেই স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদের মা ও মুগ্ধ’র মা বলেন, ‘সন্তান হারিয়ে যে কষ্ট পেয়েছি, হাসিনা তুমি তা বোঝো না। বুঝলে হাজার ছাত্র হত্যা করতে পারতে না। আমরা এই কষ্ট আর কখনো পেতে চাই না।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি অ্যাড. আসাদুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দীন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, জেলা যুব সভাপতি নূর মোহাম্মদ টিপু, জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, আলমডাঙ্গা পৌর আমির মাহের আলী ও আলমডাঙ্গা উপজেলা আমির শফিউল আলম বকুল।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা পৌর সেক্রেটারি মাওলানা মোসলেম উদ্দীন, আলমডাঙ্গা পৌর নায়েবে আমির মাওলানা জুলফিকার আলী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শফিউদ্দিন, পৌর কর্মপরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক পৌর আমির শেখ রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
সমীকরণ প্রতিবেদন