মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে বিএডিসির সানসাইন আলু বীজ রোপন করে বিপাকে কৃষকরা

  • আপলোড তারিখঃ ২৪-১২-২০২৪ ইং
জীবননগরে বিএডিসির সানসাইন আলু বীজ রোপন করে বিপাকে কৃষকরা

জীবননগরে বীজ ডিলার ও পাথিলা হিমাগারের প্রতারণায় বীজ আলু রোপণ করে কৃষকরা নিঃস্ব হওয়ার পথে। তাই ক্ষতিপূরণের দাবিতে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর শহরে কৃষকরা মানববন্ধন করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার কন্দর্পপুর, মিনাজপুর ও বৈদ্যনাথপুর মাঠের ১২ জন কৃষকের প্রায় সাড়ে ১৫ বিঘা জমিতে রোপণ করা আলু বীজের চারা গজায়নি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সানসাইন আলু বীজ ডিলার জীবননগর বাজারের রাজেদুল ইসলামের প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারি মূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য দিয়ে দত্তনগর হিমাগারের উপ-পরিচালক (টিসি) ট্যাগ লাগানো সানসাইন জাতের বীজ বপন করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও শতকরা ৯০ ভাগ চারা গজায়নি। যার ফলে কৃষকদের সাথে প্রতারণা করায় তারা এই ডিলারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
সরেজমিন উপজেলার কন্দর্পপুর, মিনাজপুর ও বৈদ্যনাথপুর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আলুখেত। মাঠে অনেক চাষির আলুখেতে আলুর চারা গজায়নি। কৃষকরা জানান, বিগত যেকোনো বছর থেকে এবার প্রতি বিঘায় খরচ বেড়েছে ১০-১২ হাজার টাকা করে। এখন পর্যন্ত এক বিঘা আলু চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা। অনেক চাষি জমি লিজ নিয়ে এমনকি বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছেন। ক্ষতিপূরণ না পেলে তাদের নিঃস্ব হয়ে পথে বসতে হবে।
কন্দর্পপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আইনাল হোসেন, কৃষক মহাসিন, আলমগীর, সাইদ, সাদ্দাম, সোহাগ, আলিম, বশির, মমিন, হাসেম, মোফাজ্জেল ও মজিবার বলেন, ‘আলু রোপণ করেছি, কিন্তু কোনো চারা গজায়নি। আমরা বিএডিসির ডিলারের মাধ্যমে পাথিলা হিমাগার থেকে ১২০ বস্তা সানসাইন আলু লাগিয়েছিলাম।’
এ বিষয়ে দত্তনগর হিমাগারের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ হোসেন বলেন, ‘উপজেলার কয়েকটা স্থানে সানসাইন আলুর বীজে চারা গজায়নি বলে অভিযোগ পেয়েছি। তবে বিষয়টি মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে একটা পদক্ষেপ নেব। কৃষকরো যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।’
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, সানসাইন জাতের আলুর বীজ নিয়ে কৃষকেরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন, এমন একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছিলাম। সেই অভিযোগের ভিত্তিত্বে আমাদের একজন কর্মকর্তা মাঠ ভিজিট করেন। সেখানে দেখা যায়, আলুর চারা গজায়নি। যার ফলে কৃষকদের চরম লোকসান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি দত্তনগর হিমাগারের দায়িত্বরত উপ-পরিচালকের সাথে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, মাঠ পরিদর্শন করবেন এবং কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও আমি তাকে জানিয়েছি।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী