চুয়াডাঙ্গায় জেলা পর্যায়ে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির নিমিত্তে পাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি গ্রাম-বাংলার সন্তান। এখানে পাট জাগ দেয়ার জায়গা নেই, এটা সত্য। দামও পাই না। এক সময় পাটের যে জৌলুস, এখন তা নেই। আমরা কোন পর্যায়ে এই শিল্পকে নিয়ে গেছি। এই অবনতির পেছনে কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্র এবং অদক্ষতা জড়িত। পরিবেশবান্ধব জিনিসের স্থলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জিনিস তারা রিপ্লেস করেছিল। এখন কিন্তু আমরা টের পাচ্ছি, পাটজাত দ্রব্যই ভালো ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। মানসিকভাবে এটা আনতে হবে। আমার বাবা বাড়ি থেকে পাঠের ব্যাগ নিয়ে বাজারে যেতেন। মানসিকভাবে এটা গ্রহণ করলেই আমরা সুন্দর পরিবেশের দিকে যেতে পারব। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। একটু একটু করে আমরা শুরু করি। দেখেন দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পাট অধিদপ্তরের মূখ্য পরিদর্শক হারুন অর রশিদ। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার রেজওয়ানা নাহিদের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সাংবাদিক মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার, মেহেরাব্বিন সানভী, আহসান আলম, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের জগলু, পাটচাষী রাজিব আলী, ইমান আলী প্রমুখ।
সমীকরণ প্রতিবেদন