বন্দুকযুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে গত সোমবার চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর ও চুয়াডাঙ্গার সাবেক পুলিশ সুপার আব্দুর রহিমসহ ৯ জনের নামে হত্যা মামলা করেছিলেন নিহত বিল্লাল হোসেনের বোন শালপোনা পারভীন। এই মামলা করার ৪৮ ঘণ্টার মাথায় বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার মামলার বাদী শালপোনা পারভীন দর্শনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
শালপোনা পারভীন বলেন, ‘আমি মামলা করার পরদিন ১২ নভেম্বর ফয়েজ মল্লিকের ছেলে আসামি জয়নাল আবেদীন নফর (৫৫) ও মৃত আইজাল মল্লিকের ছেলে আলীহিম (৫৫) মামলার সাক্ষীদের মামলায় সাক্ষী দিলে তাদের খুন করবে বলে হুমকি-ধমকি দেয়। একই দিন দুপুর ১২টার সময় তারাসহ আরও কয়েকজন দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুর হল্ট স্টেশন এলাকায় আমাকে পেয়ে বলে খুনের হুমকি দেন। তারা বলেন, `তোর ভাইকে যেভাবে খুন করেছি সেভাবে তোকেও খুন করব। তোকে তোর ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেব।`
এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘শালপোনা পারভীন একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে দর্শনা পৌর এলাকার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনকে (৪৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন সকালে দক্ষিণ চাঁদপুর উজলপুর রাস্তার হরচরার মাঠে নামক স্থানে বিল্লালের কোপানো ও গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনার ১১ বছর পর গত সোমবার দর্শনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত বিল্লালের বোন শালপোনা পারভীন।
সমীকরণ প্রতিবেদন