মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

একজন সফল, ফিরে গেলেন অন্য জন

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-১১-২০২৪ ইং
একজন সফল, ফিরে গেলেন অন্য জন

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের ইকরামুল হকের ছেলে শাহীন নামের এক তরুণকে বিয়ে করতে অনশন করেছেন দুই তরুণী। গত শনিবার শাহীনকে বিয়ে করার দাবিতে অনশন করেন তারা।

জানা যায়, গত শনিবার বিকেল থেকে পার্শ্ববর্তী হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে রুনা খাতুন বিয়ের দাবিতে শাহীনের বাড়িতে অবস্থান শুরু করেন। রুনা খাতুনের আসার খবরে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে সাদিয়া খাতুনও বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে আসেন। এক যুবকের বাড়িতে দুই তরুণীর অবস্থানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

প্রতিবেশীরা জানান, দীর্ঘ দুই বছর ধরে রুনার সাথে শাহীনের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। তাদের দুই পরিবার তাদের বিয়েতে রাজিও ছিল। কিন্তু শাহীন ধর্ষণ মামলার আসামি হওয়ার পরে তার পরিবার তাদের বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর রুনাকে পরিবার থেকে তার অমতে বিবাহ দিতে গেলে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে শাহীনের বাড়িতে ওঠে।

অন্যদিকে গত দুই মাস হলো সাদিয়া নামের আরেক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শাহীনের। প্রেমিকের বিয়ের কথা শোনার পর সাদিয়াও তার বাড়িতে আসে বিয়ের দাবিতে। এ ঘটনায় শাহীন ও তার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

রুনা বলেন, ‘শাহীনের সাথে আমার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক। আমাদের বিয়েতে দুই পরিবারই রাজি ছিল। কিন্তু শাহীন ধর্ষণ মামলায় আসামি হওয়ায় আমার পরিবার আর মেনে নেয়নি। শুক্রবার আমার বিয়ের জন্য পরিবার থেকে চাপ দেয়। আমি শাহিনকে ছাড়া অন্য কারো সাথে বিবাহ করব না। এ কারণেই আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তার কারণেই আমি শাহীনের বাড়িতে আসছি। আমি ওকেই বিয়ে করব। শাহীন যদি ওই মেয়েকে বিবাহ করে আমার কোনো সমস্যা নেই।’

সাদিয়া খাতুন বলেন, ‘শাহীনের সাথে দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক। এর আগে শাহীন তাকে বিয়ের জন্য তার বাড়িতে আসতে বলে। আমি বাড়ি থেকে তার বাড়িতে আসি। তখন শাহীনের বাড়ির লোকজন ঝামেলা করাই সেদিন বিয়ে হয়নি। আজ আবার শাহীনের বাড়িতে আরেক মেয়ে আসছে বিয়ের দাবিতে। আমি তো ওকে ভালোবাসি। আর শাহীন আমাকে বিয়ে করবে বলে কথা দিয়েছে।’

এ ব্যাপারে শাহীন বলেন, ‘আমাকে বিয়ে করতে যে দুই মেয়ে আসছে, তাদের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক আগে ছিল, কিন্তু এখন নেই। তবে তারা যেহেতু বিয়ে করতে বাড়িতে চলে আসছে, তাদের দুজনকে বিয়ে করতে কোনো আপত্তি নেই।’

হলিধানী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য সন্তোষ কুমার জানান, রাতে সাদিয়া নামের ওই মেয়েটি তার বাড়িতে ফিরে গেছে। আর রুনাকে শাহীন বিয়ে করেছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী